হামাসের মুখপাত্র ওসামা হামদান বলেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী অনবরত গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই আমাদের আর যুদ্ধবিরতির আলোচনার দরকার নেই। আমরা চাই যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃতপক্ষেই যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ প্রয়োগ করুক। খবর আল জাজিরার।
মুখপাত্র ওসামা হামদান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সম্ভাব্য নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের বিষয়ে হামাস কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পায়নি।
তবে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে যুদ্ধবিরতির আশাবাদ সত্যি নাকি কেবল দেশবাসীকে দেখানোর জন্য বিবৃতি তা বোঝা যাচ্ছে না।
এদিকে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে গত ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলে হামলা এবং সেটির পরিকল্পনা, সমর্থন এবং নির্দেশ প্রদানের জন্য হামাসের বর্তমান প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারসহ গোষ্ঠীটির শীর্ষ পর্যায়ের ৬ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ওই হামলায় ৪০ জনের বেশি মার্কিনসহ ১ হাজার ২০০ ব্যক্তি নিহত হয়েছিলেন বলে দাবি ইসরায়েলের। ৭ অক্টোবরের হামলার প্রতিশোধ নিতে ওই দিন থেকেই ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় তাণ্ডব শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের হামলায় এ পর্যন্ত ৪০ হাজার ৮০০–এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিহত ব্যক্তিদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এ ছাড়া হামলায় আহত হয়েছেন অগণিত মানুষ।
হামাসের অভিযুক্ত ছয় নেতার মধ্যে তিনজন নিহত হয়েছেন। যে তিন নেতা জীবিত আছেন, তাদের মধ্যে সিনওয়ার ছাড়া অপর দুজন হলেন খালেদ মেশাল ও আলী বারাকা। হামাসপ্রধান সিনওয়ার গাজায় আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খালেদ মেশাল কাতারের দোহায় থাকেন এবং হামাস বৈদেশিক শাখার নেতৃত্ব দেন। আর হামাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলী বারাকা লেবাননে থাকেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ড এক বিবৃতিতে বলেন, বিবাদী ব্যক্তিরা ইরান সরকারের অস্ত্র, সমর্থন ও অর্থায়নে এবং হিজবুল্লাহর সহযোগিতায় ইসরায়েলের ধ্বংস সাধন এবং বেসামরিক লোকজনকে হত্যায় হামাসের লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ভারতে গিয়ে কিডনি হারালেন ৩ বাংলাদেশি যুবক