শেখ হাসিনার সরকারের পতনকে ভারত নিজেদের পরাজয় হিসেবে বিবেচনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেছেন, ‘রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্যে অপ্রাসঙ্গিকভাবে বাংলাদেশকে টেনে আনার ঘটনায় এটা স্পষ্ট যে, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনকে ভারতের মোদি সরকার নিজেদের পরাজয় হিসাবেই বিবেচনা করছে।’ গতকাল শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘একটা গণবিরোধী আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত ফ্যাসিস্ট রেজিমকে যেকোনোভাবে বাংলাদেশের ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার ভারত সরকারের নীতি ও কৌশল যে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উসকানিমূলক বক্তব্য। এই ধরনের বক্তব্য কোনোভাবেই সৎ প্রতিবেশীর পরিচয় নয়।’
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘৫ আগস্ট বাংলাদেশের মানুষের অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের পরও ভারতে মোদি সরকার বাংলাদেশ বিরোধী নানা অপতৎপরতা ও অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছে। ভারত সরকার বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষা বিবেচনায় না নিয়ে বাংলাদেশকে বরারব অনুগত রাষ্ট্র হিসাবেই বিবেচনা করে এসেছে। রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্য দুরভিসন্ধিমূলক: এদিকে অন্য এক বিবৃতিতে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেছেন, ‘ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং উস্কানিমূলক।’
মান্না তার বিবৃতিতে বলেন, ‘ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিষয়। কিন্তু তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন, ইসরায়েল-হামাসের পাশাপাশি বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথা বলেছেন। যা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। কারণ বাংলাদেশে কোনো যুদ্ধ পরিস্থিতি নেই।
