বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যাত্রাবাড়ী এলাকায় ছেলেকে খুঁজতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হওয়া বাবলু মৃধা (৪৭) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন।
সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মঙ্গলবার সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায় পুলিশ।
যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুজ্জামান জানান, কোটা আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে যাত্রাবাড়ী লাকি কমিউনিটি সেন্টারের সামনে গুলিবিদ্ধ হন বাবলু মৃধা। পথচারীরা তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করেন। সেখান থেকে পরবর্তিতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মারা যান তিনি।
এসআই আরও জানান, সিএমএইচ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। দুপুরে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে নিহতের ভাই মো. রুবেল জানান, তাদের বাড়ি পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার খারিজা বেতাগী গ্রামে। বাবার নাম মফেজ আলী মৃধা। বর্তমানে স্ত্রী সীমা বেগম ও দুই ছেলেকে নিয়ে যাত্রাবাড়ী দনিয়া এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। বাবলু রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন।
তিনি আরও জানান, বাবলুর বড় ছেলে আবু তালেব দনিয়া কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্র। কোটা আন্দোলনের প্রথম থেকেই মিছিলে ছিল সে। ১৯ জুলাই রাতে ছেলে আবু তালেবকে খুঁজতে বের হয়েছিলেন বাবলু। তখন ওই এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলি চলছিলো। তখন যাত্রাবাড়ী লাকি কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় পিঠে গুলিবিদ্ধ হয় বাবলু। পরে পথচারীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
ডেঙ্গু: চলতি বছর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু
ফারহান হত্যা: আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ