শুল্কহার ২০ ভাগ কমিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। চারদিন আমদানি বন্ধের পর আজ মঙ্গলবার দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজের চালান আসে। ভারতের কাস্টমসে পেঁয়াজ রপ্তানিতে শুল্ক কমানোর বিষয়টি আপডেট না হওয়ায় চারদিন বন্ধ ছিল পেঁয়াজ আমদানি।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টায় ভারতীয় কাস্টমসে পেঁয়াজ রপ্তানিতে শুল্কহার ৪০ থেকে কমিয়ে ২০ করার বিষয়টি আপডেট করা হয়। এরপর ভারতীয় কাস্টমসে পেঁয়াজ রপ্তানির টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরবর্তীতে টেন্ডার প্রক্রিয়া ও শুল্ক প্রদান শেষে বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে বন্দর দিয়ে কম শুল্কের পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। আজ বন্দর দিয়ে ৪টি ট্রাকে ১২৩টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেয়াজ আমদানিকারক মামুনুর রশিদ বলেন, গত শুক্রবার পেঁয়াজ রপ্তানিতে শুল্ক ৪০ থেকে কমিয়ে ২০ ভাগ করে ভারত। একই সাথে পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য ৫৫০ ডলার থেকে কমিয়ে ৪০৫ ডলার করে। এরপরে আমরা ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে পূর্বের বাড়তি মূল্যে করা এলসিগুলো সংশোধন করাসহ পেঁয়াজ আমদানির সকল প্রস্তুতি নিই। কিন্তু রপ্তানি শুল্ক কমানোর বিষয়টি ভারতীয় কাস্টমসের সার্ভারে আপডেট না হওয়ায় পেঁয়াজ আমদানি করতে পারিনি।
তিনি আরও বলেন, ভারতে রপ্তানি শুল্ক কমালেও ভারতীয় ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোয় দেশের বাজারে পেঁয়াজ দামের উপর তেমন একটা প্রভাব পড়বে না। তবে দুই-চারদিনে ভারতে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে আসবে তখন পেঁয়াজের আমদানি বাড়ার সাথে সাথে দাম কমে আসবে। বর্তমানে আমদানিকৃত পেয়াজ ৮০ থেকে ৮৫ টাকার মধ্যে থাকবে বলে জানান তিনি।
গত ৪ মে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ভারত সরকার।
ভারতে শেখ হাসিনার স্ট্যাটাস জানা নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
সিগন্যাল ছাড়তে দেরি হওয়ায় ট্রাফিক কনস্টবলকে মারধর