সকালের নাশতায় রুটি না ভাত খাবেন

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:৩৩ এএম

সকালের নাশতায় অধিকাংশরাই ভাত খেতে চান না। ভাতের  বদলে রুটিই অধিকাংশ মানুষের সকালের নাশতা। অনেকের ধারণা সকালে রুটি খাওয়া কি ঠিক। শরীরের কতটা উপকার পাওয়া যায়। প্রতিনিয়ত কাজ করে চলার জন্য আমাদের শরীরের এনার্জির প্রয়োজন হয়। আর সাধারণত কার্ব জাতীয় খাবার থেকেই শক্তি অর্জন করে মানবদেহ। তাই খাবারের তালিকায় কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার রাখতেই হবে। আর অতি উপকারী কার্বোহাইড্রেট খাবার হলো রুটি। শুধু তাই নয়, এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে। যেই কারণে রুটি খেলে সুস্থ থাকে শরীর। একাধিক রোগ থেকে দূরে থাকা যায়।  তাই প্রতিদিনকার খাবার তালিকায় রুটি রাখতে পারেন। তাই সকালের নাশতায় অনায়াসে রুটি খাওয়া যায়। এই খাবারের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুবই কম। যেই কারণে এই খাবার খেলে সুগার বাড়ার আশঙ্কা থাকে না। এর পাশাপাশি এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবারও রয়েছে। যার ফলে কমে কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রকোপ। সেই সঙ্গে এতে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ এবং কিছুটা প্রোটিন। তাই কোনো মানুষ চাইলে নিয়মিত ব্রেকফাস্টে রুটি খেতেই পারেন। তাতে অসুবিধা নেই বরং উপকারই পাবেন।

ভাত এবং রুটির মধ্যে দুই খাবারই পুষ্টিগুণে সেরা। তবে রুটির থেকে ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কিছুটা বেশি। এমনকি ভাতে ফাইবারও কম থাকে। তাই অনেকেই খাদ্যগুণে রুটিকে ভাতের থেকে কিছুটা এগিয়ে রাখেন। তবে কোনো ব্যক্তি চাইলে অনায়াসে সকালে ভাত খেতে পারেন। এমনকি ডায়াবেটিস থাকলেও পুষ্টিবিদের পরামর্শ মতো পরিমিত খেতে পারেন ভাত। তাতে অসুবিধার কিছু নেই।

রুটির বিকল্প হিসেবে পাউরুটি এড়িয়ে চলাই ভালো। তার বদলে ভরসা রাখুন সাধারণ আটার রুটির ওপর। সঙ্গে থাকুক এক বাটি সবজির পদ। এর পাশাপাশি ডিম, মাছ, মাংস, সোয়াবিন, টোফু, পনিরের মধ্যে কোনো একটি পদ রাখতেই পারেন। তাতেই উপকার মিলবে হাতেনাতে।

আটার রুটিতে রয়েছে গ্লুটেন নামক একটি উপাদান। আর এই উপাদান সবাই সহ্য করতে পারেন না। যেই কারণে বিপদ বাড়ে। তাই গ্লুটেন অ্যালার্জিতে ভুক্তভোগীরা রুটি খাবেন না। এর পাশাপাশি যাদের কোলাইটিস, সেলিয়াক ডিজিজ, আইবিডি, আইবিএসের মতো সমস্যা রয়েছে, তারাও এড়িয়ে চলুন আটার রুটি। তারা ভাতের খেতে পারেন। তাতেই উপকার পাবেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত