ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ইতিহাদে ম্যানচেস্টার সিটি ও আর্সেনাল ম্যাচ ২-২ গোলে ড্র হয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে একজন কম নিয়ে খেলে আর্সেনাল, ট্রোসার্ড লাল কার্ড দেখায়। তবে ম্যাচ শেষে আর্সেনালের খেলার কৌশলের সমালোচনা করেছেন ম্যানসিটিকে পয়েন্ট এনে দেওয়ার নায়ক জন স্টোনস।
ম্যাচের নবম মিনিটে প্রথম গোলটা করেন আর্লিং হালান্ড। এটি ছিল সিটির হয়ে তার শততম গোল। ২২ মিনিটে মাঝ মাঠে পাওয়া একটি ফ্রি-কিক দ্রুত নেন আর্সেনাল খেলোয়াড়রা। সেই ফ্রি-কিকের পর বল সতীর্থের পায়ে ঘুরে পান রিকার্ডো ক্যালাফিওরি। গোল শোধ দেন আর্সেনালে খেলা এই ডিফেন্ডার। প্রথমার্ধের যোগকরা সময়ে গ্যাব্রিয়েল মাগালেসের গোলে আর্সেনাল এগিয়ে যায়। এরপর ট্রোসার্ড ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে (লাল কার্ড) দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় গানার্সরা। ম্যাচে যোগকরা সময়ের অষ্টম মিনিটে সিটির ইংলিশ ডিফেন্ডার জন স্টোনস সমতা আনেন।
নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে আর্সেনাল ২-১-এ এগিয়ে ছিল, ফলে যোগকরা সময়ে কখনো সেট পিসে শট নিতে দেরি, কারও পায়ে ক্র্যাম্প, কেউ আবার চোট পেয়ে শুয়ে পড়ে কাতর। এভাবেই সময় নষ্ট করে আর্সেনাল। কিন্তু আর্সেনালের সেই কৌশলই তাদের জন্য কাল হয়ে উঠেছে। ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা হয়েছিল সাত মিনিট। তাদের সময়ক্ষেপণের পালায় রেফারি আরও বাড়তি সময় খেলিয়ে যান। আর তাতেই গোল পেয়ে যান বদলি নামা রাইটব্যাক স্টোনস।
ম্যাচ শেষে স্টোনস বলেন, ‘আর্সেনাল যেভাবে বারবার খেলা থমকে দেয়, যেভাবে তারা খেলার এই দিকটিকে কাজে লাগায়, খুব বেশি দল তা করে না। তারা খেলাটাকে মন্থর করে ফেলে। গোলকিপার মাটিতে শুয়ে পড়ে, যাতে বাইরে থেকে কিছু তথ্য তারা মাঠে পেতে পারে।’ আর্সেনাল কি সময় নষ্ট করার কূটকৌশল আয়ত্ত করেছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে স্টোনস বলেন, ‘আমি বলব না, তারা এটা রপ্ত করে ফেলেছে। তবে বেশ কয়েক বছর ধরেই তারা এ রকম করে আসছে। আমরা এখন ধরেই নেই যে ওরা এ রকম করবে। এটাকে চতুর বলতে পারেন বা নোংরা, যা ইচ্ছা বলতে পারেন। তবে ওরা খেলা থমকে দেয়, স্বাভাবিক ছন্দ তাতে বিঘিœত হয়।’
