গাজীপুরের শ্রীপুরে আওয়ামী লীগ বিএনপির রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে হোয়াটসঅ্যাপের একটি মেসেজকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্যকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে প্রতিপক্ষ। শনিবার মধ্যরাতে বরমী ইউনিয়নে ইউনিয়নের লাকচতল ফুটানির মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া ইউপি সদস্যের নাম মারুফ শেখ মুক্তার (৩৮)। তিনি বরমী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওর্য়াড সদস্য ও বরমী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনি ঠাকুরতলা গ্রামের মৃত আবদুল বারেকের ছেলে।
পুলিশ বলেছে, স্থানীয়রা ইউপি সদস্যকে কোনো একটি দ্বন্দ্বে পুলিশে সোপর্দ করেছে। আমরা বিষয়টির বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে বিএনপি বলছে তার বাড়িতে অবৈধ বড় বড় রামদা ছিল। এগুলো উদ্ধার করে তাকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। মারধরের বিষয়টি সত্য নয়।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাতে তাকে ফোনে ডেকে আনা হয় ফুটানির মোড় এলাকায়। পরে তার সাথে স্থানীয় বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা বাধে। এক সময় তার ব্যক্তিগত যোগাযোগমাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপের একটি ম্যাসেজকে কেন্দ্র তাকে মারধর করা হয়। মারধর করার পর তাকে পুলিশে তুলে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়।
ইউপি মেম্বার মুক্তারের বড় ভাই আবুল হামিদ বলেন, তাকে ফোনে ডেকে নিয়ে মারধর করে পুলিশে দিয়েছে। এর আগেও তাকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সরকার বদলের পর নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছিল তাকে।
বরমী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন ফকির জানান, মুক্তার মেম্বারের বাড়ি থেকে বড় অবৈধ রামদা পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সময় নাশকতায় এসব রামদা ব্যবহার করা হতো। পরে লোকজন তাকে পুলিশে সোর্পদ করেন। তবে মারধরের বিষয়টি সত্য নয়।
শ্রীপুর মডেল থানার ওসি জয়নাল আবেদীন মন্ডল বলেন, কয়েকজন লোক তাকে থানায় দিয়ে গেছে। আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি। বিস্তারিত পরে বলতে পারব।
বন্যা থেকে বাঁচতে ছাদ থেকে ছাদে লাফ, মৃত্যু বেড়ে ১৪৮