মেজর লিগ সকারে ইন্টার মায়ামির আগের দুই ম্যাচ ড্র হয়েছিল। শার্লট এফসির সঙ্গে ঘরের মাঠে জয় পাবে মায়ামি এমন আশা করেছিল সমর্থকরা। কিন্তু আগে নিজেরাই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়েছিল মায়ামি। এরপর মেসির দুর্দান্ত এক গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হয় ম্যাচ। মায়ামির পরবর্তী ম্যাচ কলম্বাসের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে জয় পেলেই সাপোর্টাস শিল্ড জিতবে মায়ামি। অর্থাৎ লিগে দুই কনফারেন্স লিগে শীর্ষস্থানে থাকা নিশ্চিত হবে মায়ামির।
এদিনও মায়ামির শুরুর একাদশেই নেমেছিলেন মেসি। তবে ম্যাচে প্রথমার্ধে গোল পায়নি কোনো দল। ৫৭ মিনিটে কারোল সুইডেরস্কি গোল করলে এগিয়ে যায় শার্লট। গোল শোধে বেশি সময় নেয়নি মায়ামি। প্রথমার্ধে ৬৭ মিনিটে বক্সের একটু বাইরে থেকে নেওয়া মেসির বাঁ পায়ের শট দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে যায়, ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকাতে পারেননি শার্লট গোলকিপারও। ‘দ্য ম্যাজিক অব মেসি...’, গোলের পর ধারাভাষ্যকার এভাবেই বললেন।
এবারের মেজর লিগ সকারে মেসির ১৫তম গোল এটা। চোট কাটিয়ে ফেরার পর চার ম্যাচে গোল তিনটি। মেসির উদযাপন ছিল কিছুটা ভিন্ন। সতীর্থদের দিকে উচ্ছ্বসিত দৃষ্টি দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে, তিনি এমনভাবে হাত নাড়েন যেন তিনি সুপারহিরো আয়রনম্যান! মুহূর্তেই স্টেডিয়াম জুড়ে সেই উদযাপন সবার দৃষ্টি কাড়ে, এবং দ্রুতই তা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
সমতা ফেরানোর মিনিট দশেক পর মায়ামি হয়তো ভেবেছিল, জয়সূচক গোলটাও পেয়ে যাচ্ছে তারা। ৭৭ মিনিটে শার্লটের ফরাসি ডিফেন্ডার আদিলসন মালান্দা বক্সের মধ্যে ফেলে দেন গোমেজকে। রেফারি ফাউলের বাঁশি বাজান এবং পেনাল্টি দেন। তবে ভিএআর রিভিউ’র পর পাল্টে যায় পেনাল্টির সিদ্ধান্ত। যোগ করা সময়ের একাদশ মিনিটে মেসির ক্রস থেকে জর্ডি আলবা হেড করে বল দেন লুইস সুয়ারেজকে। কিন্তু গোলমুখে ফাঁকায় দাঁড়ানো সুয়ারেজ বল পাঠিয়ে দেন বারের ওপর দিয়ে।
খেলার শেষ বাঁশির পর রেফারির সঙ্গে একটি ফাউল নিয়ে তর্কে জড়িয়ে হলুদ কার্ড দেখেছেন মেসি।
৩১ ম্যাচে ৬৫ পয়েন্টে শীর্ষে মায়ামি। ৩০ ম্যাচে ৫৭ পয়েন্ট কলম্বাসের। ৩১ ম্যাচে ৫৬ পয়েন্টে তিনে সিনসিনাটি। ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সে ৩১ ম্যাচে ৫৮ পয়েন্টে শীর্ষে এলএ গ্যালাক্সি। এবারের লিগে আর তিনটি ম্যাচ বাকি আছে মেসিদের। তিনটিতেই জিততে পারলে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ পয়েন্টের রেকর্ড গড়বে জেরার্দো মার্তিনোর দল। ২০২১ আসরে ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে রেকর্ডটি এখন নিউ ইংল্যান্ডের।
