গত ২২ সেপ্টেম্বর দেশ রূপান্তরে প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত ‘৬৭৭ কোটির প্রকল্পে অনিয়মই ১১৪ কোটি’ শীর্ষক প্রতিবেদনের আংশিক প্রতিবাদ জানিয়েছে এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)। প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, প্রতিবেদনটি অসত্য ও ভিত্তিহীন।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, গোপালগঞ্জে ইডিসিএলের ওষুধ কারখানা নির্মাণ বিষয়ে এক্সটার্নাল অডিট রিপোর্টে অন্তত ২৩টি বড় ধরনের আপত্তি নিষ্পত্তি করতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে যে কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। এর মধ্যে ১০টি আপত্তি নিষ্পত্তির সুপারিশ মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্বাস্থ্য অডিট অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে এবং ১৩টি আপত্তির ওপর পুনঃজবাব দিতে ইডিসিএলকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, কারখানাটি দুই বছরে শেষ করার বিষয়টি বাস্তবসম্মত না হওয়ায় পরবর্তীকালে বিভিন্ন সময়ে বাস্তবতার নিরিখে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। প্রকল্পের সব যন্ত্রপাতি স্থাপন ও অন্যান্য কাজ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে শেষ হলেও প্রক্রিয়াজনিত কারণে প্রকল্প শেষ করার প্রতিবেদন-পিসিআর জমা দেওয়া হয় গত জুন মাসে। তাই প্রকল্পের কাজ শেষ না করে পিসিআর জমা দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্যটি অন্তঃসারশূন্য ও ভিত্তিহীন। এতে বলা হয়, প্রতিবেদনে ইডিসিএলের একজন কর্মকর্তা সম্পর্কে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট।
প্রতিবেদকের বক্তব্য : প্রতিবেদনটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়। যথাযথ তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতেই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত যাবতীয় প্রমাণ রয়েছে প্রতিবেদকের কাছে।
আইএমইডিতে ইডিসিএলের জমা দেওয়া পিসিআরের সঙ্গে অন্তত ২৩টি অডিট আপত্তি রয়েছে, যার মাধ্যমে ১১৪ কোটি টাকার অনিয়ম-ক্ষতি হয়েছে। যেগুলো নিষ্পত্তি করার কোনো তথ্য সেখানে ছিল না। এর বাইরেও কিছু আপত্তি ছিল, যা নিষ্পত্তি হওয়ায় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। তাছাড়া প্রতিবাদলিপিতেও ২৩টি আপত্তি নিষ্পত্তি করার কথা বলেনি ইডিসিএল।
