দেশে গ্যাস অনুসন্ধানে অবহেলা করে কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে ২০১২ সালে এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা করে সদ্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার। এরপর ২০১৮ সাল থেকে দেশে শুরু হয় চড়ামূল্যের এলএনজি আমদানি।
আমদানিকৃত এলএনজি সংরক্ষণ এবং রিগ্যাসিফিকেশনের জন্য দরপত্র ছাড়াই দায়মুক্তি আইনে মহেশখালীতে নির্মাণ করা হয়েছে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ)। এর একটি টার্মিনালের কাজ পায় সামিট।
চুক্তি অনুযায়ী, এফএসআরইউ অচল বা বন্ধ থাকলেও প্রতি মাসে সামিটকে ৪৫ লাখ ডলার (প্রায় ৯০ কোটি টাকা) ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হবে।
এলএনজি আমদানিতে সরকারকে প্রতি বছর গড়ে ২২ থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এই এলএনজি ব্যবসার বড় অংশ সামিট গ্রুপের দখলে।
এলএনজি খাতে দেশে সামিট গ্রুপের কার্যক্রম শুরু হয় মূলত ২০১৭ সালে। পেট্রোবাংলার সঙ্গে ওই বছরের এপ্রিলে চুক্তি হয়। এরপর ২০১৯ সালে এলএনজি রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে ১৫ বছরের কাজ পায় স্থানীয় জ্বালানি খাতের এ জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান। এই এলএনজি টার্মিনালটি ২০৩৩ সাল পর্যন্ত অপারেশনে থাকবে।
মহেশখালীতে আরও একটি এফএসআরইউ ও এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের জন্য গত মার্চে সামিটের সঙ্গে চুক্তি করে সাবেক আওয়ামী লীগ সরকার। এতে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা আয় হওয়ার কথা ছিল প্রতিষ্ঠানটির। প্রতিযোগিতা ছাড়াই দায়মুক্তি আইনে করা ওই চুক্তিটি গত সোমবার বাতিল করেছে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সামিটকে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তটি মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে নেওয়া হয়েছিল বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে...
বাংলাদেশের সম্পদে সিঙ্গাপুরে সাম্রাজ্য