সাভারে নাভানা ফার্নিচার কারখানায় ডাকাতি, লুটপাট

  • সাভারে নাভানা ফার্নিচার কারখানায় অস্ত্রসহ লুটপাট চালিয়েছে ৩০-৩৫ জন মানুষ
  • পুলিশ লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার বা ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি
আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২৪, ০২:৫৯ পিএম

সাভারে নাভানা ফার্নিচার কারখানায় দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতরা কারখানার নিরাপত্তা কর্মীদের বেঁধে রেখে বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। শুক্রবার রাতে সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় অবস্থিত নাভানা ফার্নিচার কারখানায় এ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে শনিবার সকালে ডাকাতির বিষয়টি জানিয়ে নাভানা ফার্নিচার কারখানার সুপার ভাইজার আহাদ মিয়া বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার কিংবা ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৭ টার দিকে ৩ থেকে ৪ লোক নাভানা ফার্নিচার কারখানার গেটে এসে কোম্পানির মাল এসেছে জানিয়ে নিরাপত্তা কর্মীদের গেট খুলতে বলে। এ সময় সেখানে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মী মোঃ সিদ্দিক ও মোঃ আবু বকর গেট খুলে মাল দেখতে বের হলে ৩০-৩৫ লোক পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কারখানা ভেতরে প্রবেশ করে সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। পরে ডাকাতরা কারখানার ভেতরে বিশ্রামে থাকা সুপারভাইজার আহাদ মিয়াসহ আরও ১৩ জনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। এরপর সবাইকে একটা কক্ষে আটকে রেখে তাদের কাছে থাকা নগদ প্রায় ৬০ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

লিখিত অভিযোগে সুপারভাইজার আহাদ মিয়া আরও উল্লেখ করেন, ডাকাতরা আমাদের আটকে রেখে রাতভর কারখানায় লুটপাট করে। তারা আমাদের কারখানার সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে মালিকের ক্যাশ ভেঙে নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ স্টীলের পাইপসহ মূল্যবান মালামাল এবং একটি হায়েস গাড়ি লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর আমরা নিজেরাই মুক্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।

নাভানা ফার্নিচার কারখানার অ্যাডমিন অফিসার আরিফ হোসেন জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় ৩০/৩৫ জনের ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে আমাদের সিকিউরিটি গার্ডদের জিম্মি করে একটি কক্ষে আটকে রেখে তাদের বিপুল পরিমাণ মেটাল, একটি হায়েস গাড়ি ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। তবে এখনই লুণ্ঠিত মালামালের দাম এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমান উল্লেখ করা যাচ্ছেনা।

ডাকাতির বিষয়ে জানতে চাইলে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) জুয়েল মিয়া বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে নিউজ করার প্রয়োজন নেই বলেও জানান তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত