আগের সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহেও বড় মূলধনী কোম্পানির শেয়ারের দর হ্রাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সব ধরনের মূল্যসূচক কমেছে। তবে পুঁজিবাজারে চলমান অস্থিরতার মধ্যেও সর্বশেষ সপ্তাহে বেশিরভাগ শেয়ারের দর বেড়েছে। এর ফলে বড় মূলধনী কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম কমার পরও স্টক এক্সচেঞ্জটির বাজার মূলধন দুই হাজার কোটি টাকা বেড়েছে।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে চার কার্যদিবসের লেনদেনে তিন দিনই সূচকের পতন হয়েছে। তবে সর্বশেষ কার্যদিবসে সূচকের উল্লম্ফনে সপ্তাহ শেষে পতনের হার কিছুটা কমিয়েছে। সপ্তাহ শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ৪০ পয়েন্ট, যেখানে প্রথম তিন কার্যদিবসে সূচক কমেছিল ১৩৯ পয়েন্ট। শেষ কার্যদিবসের ৯৯ পয়েন্ট বৃদ্ধিতে হারানো মূল্যসূচক কিছুটা ফিরে পেয়েছে ডিএসই। এর আগের সপ্তাহে সূচকটি ১৭৭ পয়েন্ট হারিয়েছিল ডিএসইএক্স।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে কেনাবেচা হওয়া ৩৭৮টি সিকিউরিটিজের মধ্যে দর বাড়ে ২১১টির, কমে ৩৮টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১৪৬টির। বেশিরভাগ শেয়ারের দাম বাড়ায় স্টক এক্সচেঞ্জটির বাজার মূলধন আগের সপ্তাহের চেয়ে ২ হাজার কোটি টাকা বেড়ে ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৪১৬ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।
পুঁজিবাজার চলমান অস্থিরতায় অনেক বিনিয়োগকারী সাইড লাইনে ফিরে গেছেন। এতে করে স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক লেনদেনের পরিমাণ কমছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে গড় লেনদেন হয়েছে ৩৬৬ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৪ শতাংশ কম। গত সপ্তাহে ব্যাংক, জ্বালানি, সিমেন্ট, ওষুধসহ বেশির ভাগ খাত দর হারালেও খাদ্য ও অনুষঙ্গ, প্রকৌশল, সিরামিক, বিবিধ এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বাজার মূলধন বেড়েছে।
