মুনাফিকের চার আলামত

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৪, ০৮:১৪ এএম

আমানতের খেয়ানত করা মুনাফিকের স্বভাব। মানুষের এমন স্বভাব সমাজে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে, পরস্পর ঝগড়া-ফ্যাসাদ বাড়ায় এবং রক্তপাত ঘটায়। তাই খেয়ানতকে কঠিন ভাষায় নিষেধ করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! আল্লাহ ও রাসুলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করো না এবং জেনে-শুনে নিজেদের আমানতের খেয়ানত করো না (সুরা আনফাল ২৭)

মুনাফিকরা মানুষের সামনে এক ধরনের এবং পেছনে আরেক ধরনের আচরণ করে থাকে। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘চারটি স্বভাব এমন যার সবগুলো কারও মধ্যে থাকলে সে পুরোদস্তুর মুনাফিক, আর যার মধ্যে তার কোনো একটি থাকবে, সে যতক্ষণ তা পরিত্যাগ না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকির একটি স্বভাবই থাকবে। স্বভাব চারটি হলো এক. যখন তার কাছে আমানত রাখা হয় সে তাতে খেয়ানত করে। দুই. যখন কথা বলে মিথ্যা বলে। তিন. যখন কোনো ওয়াদা করে তা ভঙ্গ করে। চার. যখন কারও সঙ্গে ঝগড়া লাগে তখন গালাগালি করে।’ (সহিহ্ বুখারি)

আমানতের খেয়ানত করার বিষয়টি ইমানের ত্রুটির প্রতি ইঙ্গিত করে। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) এরূপ খুতবা খুব কমই দিয়েছেন যাতে এ কথা বলেননি যে, যার আমানতদারি নেই তার ইমানও নেই এবং যার ওয়াদা-অঙ্গীকারের মূল্য নেই তার দ্বীনও নেই। (মিশকাতুল মাসাবিহ) যাদের ভেতর এমন স্বভাব রয়েছে তাদের উচিত হলো দ্রুত সেসব পরিহার করা। অন্যথায় ইমান ও আমল ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত