বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম বলেছেন, জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়াই এই সরকারের প্রধান কাজ। জনগণ আপনাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে তাদের ভোটাধিকারসহ সব মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। তিন-চারটি বিষয়ে সংস্কার করলেই আপনাদের প্রধান দায়িত্ব পালন হয়ে যায়। এর মধ্যে অন্যতম দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। সেজন্য স্বৈরাচারী সরকারকে হটানো হয়নি, অবশ্যই আমরা একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। যাতে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘জাগ্রত বাংলাদেশ’ আয়োজিত এক সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
আবদুস সালাম বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন, দুই বারের অধিক কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না। দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট থাকতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত পার্লামেন্টের পাশাপাশি অভিজ্ঞ পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজের লোকরা যেন দেশ পরিচালনায় অংশ নিতে পারেন। তাদের মতামত দেওয়া জন্য উচ্চকক্ষবিশিষ্ট একটি পার্লামেন্ট থাকতে পারে।’
জাগ্রত বাংলাদেশর সভাপতি ও দৈনিক খোলাবাজার পত্রিকার সম্পাদক এবং প্রকাশক মো. জহিরুল ইসলাম কলিম সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। জাগ্রত বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোজাম্মেল হোসেন শাহীনের পরিচালনায় বক্তব্য দেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আলমগীর হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা, আজকের জীবন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক শফিকুর রহমান, যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনু, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক এস এম মিজানুর রহমান, প্রজন্ম একাডেমির সভাপতি লেখক ও গবেষক কালাম ফয়েজী, জাসাসের নির্বাহী কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. খালেদ এনাম মুন্না, মুক্ত ফোরামের সমন্বয়ক চাষী মামুন, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম হোসেন প্রমুখ।
