রাজধানীর ধানমন্ডিতে জোর করে বাসায় ঢোকার চেষ্টার ঘটনায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ধানমন্ডি থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি টিম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. হাসিবুল হাসান (৩৩), মো. গোলাম মোরশেদ (৩২), মাহমুদুল হাসান শিমুল (২০), আবু সালেহ হিরন (২৬), রুবেল হাওলাদার (২৭), আজিজুল ইসলাম (২১), মাহফুজুর রহমান (২৬), মোস্তাফিজুর রহমান (২৬), ইয়াসিন আরাফাত (২০), মো. ইব্রাহিম (১৯), জিহাদ হোসেন (১৯), আব্দুল্লাহ আল মামুন (১৬) ও শেখ শাহরিয়ার আহমেদ (১৬)। গ্রেপ্তারের সময় তাদের হেফাজতে থাজা পাঁচটি লোহার রড ও ৫টি বাঁশের লাঠি জব্দ করা হয়।
বুধবার রাত ১১টার দিকে ধানমন্ডির ১৩/এ রোডের ১৩ নম্বর বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
তিনি জানান, বুধবার রাত সোয়া দশটার দিকে গ্রেপ্তারকৃত ১৩ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন ধানমন্ডির ১৩/এ নম্বর রোডের ১৩ নম্বর বাসায় ঢোকার চেষ্টা করে। তারা অর্থ, অলংকার, মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করার উদ্দেশে বিশৃঙ্খলা ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দলবদ্ধভাবে জোর করে প্রবেশ করে বাসার কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে এবং বাসার কয়েকটি ফ্ল্যাটে কলিংবেল বাজায় ও দরজা ভাঙার চেষ্টা করে। এ সময় বাসায় প্রবেশ করার সাথে সাথে ওই বাসার সিকিউরিটি গার্ডদের মারধর করে তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের পুলিশ ফাঁড়ির একটি টিম দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেখানে গিয়ে আশপাশের বাসার সিকিউরিটি গার্ড ও রাস্তার পথচারীদের সহযোগিতায় তাদের সেই বাসায় অবরুদ্ধ করে। তাৎক্ষণিক ধানমন্ডি থানা পুলিশের রাত্রিকালীন টহলটিম ও সেনাবাহিনীর টহলটিম এসে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় বিল্ডিংয়ের ম্যানেজার আব্দুল মান্নানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার দিবাগত রাত সোয়া দুই ঘটিকায় ধানমন্ডি থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়।
তালেবুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিচ্ছেদ নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাস যিশুপত্নীর!
বিশ্বে যত টাকা আছে, তার চেয়েও বেশি জরিমানা গুগলকে