পাওনা চেয়ে বিসিবিকে ক্রীড়া পরিষদের চিঠি

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০২৪, ১২:৫৮ এএম

দেশের সব স্টেডিয়ামের মালিক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। তারাই বিভিন্ন স্থাপনাকে বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের অনুকূলে বরাদ্দ দিয়ে থাকে। বিনিময়ে টিকিট বিক্রি থেকে প্রাপ্ত গেইটমানি ও প্রচার স্বত্ব ক্রীড়া পরিষদকে নির্দিষ্ট হারে বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ফেডারেশনগুলোর। তবে বেশিরভাগ খেলা জনপ্রিয়তা হারানোয় গেইটমানি যেমন মেলে না, তেমনি সম্প্রচারেও আগ্রহ দেখায় না টেলিভিশন চ্যানেলগুলো। জনপ্রিয়তার দিক থেকে এগিয়ে কেবল ক্রিকেট। আন্তর্জাতিক আসর আয়োজনে বড় অঙ্কের গেইটমানি তুলে নিতে পারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তাছাড়া জনপ্রিয়তার কারণে স্বম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি করেও কোটি কোটি টাকা পায় বিসিবি। তবে দেশের ধনী ক্রীড়া ফেডারেশনটির জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বকেয়া পরিশোধে বড্ড অনীহা। বিসিবিকে বারবার অনুরোধ জানানোর পরও দুই বছর ধরে শতকরা ১৫ ভাগ গেইটমানি ও শতকরা ১০ ভাগ প্রচারস্বত্বের অর্থ জমা পড়েনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোষাগারে। সম্প্রতি তারা ফের বকেয়া পরিশোধের জন্য চিঠি দিয়েছে বিসিবিকে।

ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. আমিনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত ২৭ অক্টোবরের চিঠিতে অতীতে পাঠানো বেশ কয়েকটি তাগাদাপত্রের সূত্র উল্লেখ করে বলা হয়, ২০২২-২০২৩ অর্থবছর থেকে গেইটমানি ও প্রচার স্বত্ব বাবদ কোনো অর্থ বিসিবি ক্রীড়া পরিষদকে পরিশোধ করা হয়নি।

গেইটমানি ও প্রচার স্বত্ব নিয়ে অতীতে বিসিবির কাছ থেকে পাওয়া গেছে আলাদা ব্যাখ্যা। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ দেশব্যাপী বিসিবির অনুকূলে অনেক ক্রীড়া স্থাপনা বরাদ্দ করেছে ঠিক, তবে অন্যান্য খেলার মতো ক্রীড়া পরিষদ বিসিবির ভেন্যুগুলোর নিয়মিত সংস্কারগুলো করে দেয় না। সেগুলো বিসিবি নিজেদের অর্থায়নে করে এবং একটা সময় এই গেইটমানি ও প্রচার স্বত্বের অর্থের সঙ্গে সমন্বয় করে নেয়। গত বছর বিসিবি উল্টো দাবি করেছিল, সংস্কার বাবদ তারা যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে, সেটা সমন্বয় করা হলে উল্টো তারাই সরকারের কাছ থেকে অনেক টাকা পাওনা রয়েছে। যদিও মঙ্গলবার এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত