হাত-পা বেঁধে ছেলে ও পুত্রবধূর হাতে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের শিকার সাতক্ষীরা সদরের বাঁশতলা গ্রামের স্কুলশিক্ষক অরবিন্দু ম-ল (৭৩) মারা গেছেন। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে গত রবিবার বিকেলে তিনি মারা যান।
এদিকে অরবিন্দ ম-লের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে দুই সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন তার ছেলে বিশ্বনাথ ম-ল ও পুত্রবধূ কবিতা ম-ল। তবে বাবার মৃত্যুর জন্য তার দাদা ও বৌদির শাস্তির দাবি জানিয়েছে মেয়ে অঞ্জনা ম-ল।
এলাকাবাসী জানান, গত ২ নভেম্বর তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে অরবিন্দ ম-লকে হাত-পা বেঁধে মারধর করে তার ছেলে বিশ্বনাথ ম-ল ও পুত্রবধূ কবিতা ম-ল। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
প্রয়াত অরবিন্দ ম-লের মেয়ে অঞ্জনা ম-ল জানান, তার বাবা বাঁশতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অবসরে যাওয়ার পর দাদা বিশ্বনাথ ও বৌদি কবিতা তার বাবাকে প্রায়ই নির্যাতন করে আসছিল। গত ২ নভেম্বর সকালে বাবাকে বাড়ির উঠানে ফেলে হাত-পা বেঁধে মারধর করায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
