সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে উত্তীর্ণ সাড়ে ৬ হাজার প্রার্থীকে নিয়োগপত্র প্রদানের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে উচ্চ আদালত। ২০১৯ সালের কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে তাদের নিয়োগ দেওয়ায় হাইকোর্ট ছয় মাসের জন্য নিয়োগপত্র প্রদান স্থগিত করেছে। এ-সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নুর মোহাম্মদ আজমী।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দেশ রূপান্তরকে বলেন, এই প্রার্থীদের পূর্বের কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে নিয়োগপত্র প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত জুলাইতে আপিল বিভাগের রায়ে মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য কোটা সাত ভাগ রাখা হয়। এ নিয়োগপত্র প্রদানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করলে আদালত তা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছে।
গত ৩১ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) চূড়ান্ত ফলাফলে ৬ হাজার ৫৩১ জন উত্তীর্ণ হন।
