জ্যামাইকার সাবিনা পার্ক সাধারণত বিখ্যাত সীমিত সংস্করণের ক্রিকেটের জন্য। মাঝেমধ্যে টেস্ট ম্যাচও হয়। তবে সেটা কালেভদ্রে। এবার তিন বছরেরও বেশি সময় পর সাবিনা পার্কে ফিরছে টেস্ট ক্রিকেট। উইন্ডিজ নামবে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে। আর মেহেদী হাসান মিরাজরা নামবেন সিরিজ বাঁচানোর লক্ষ্য নিয়ে।
অ্যান্টিগাতে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৬৯ রানে ডিক্লেয়ার করেছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয়েছিল ১৩২ রানে। ব্যাটিং ব্যর্থতা স্পষ্ট। আর উইন্ডিজ তাদের ব্যাটিং দক্ষতা দেখিয়েছে। দুটি বড় জুটি প্রথম ইনিংসের ভিত্তি গড়ে দেয়। এলিক আথানাজ ও মিকাইল লুইস দুজনই ৯০-এর ঘরে আউট হন। জাস্টিন গ্রিভস তার প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করেন এবং কেমার রোচের সঙ্গে অষ্টম উইকেটে ১৪০ রানের জুটি গড়েন। বোলিংয়ে সিলস, আলজারি জোসেফ ও শামার জোসেফের গতির কাছে পাত্তা পায়নি বাংলাদেশ। রোচও তার অভিজ্ঞতা দারুণভাবে কাজে লাগান। ম্যাচে বাংলাদেশের ইতিবাচক দিক ছিল পেস আক্রমণ। তাসকিন আহমেদ দুই ইনিংসে ৮ উইকেট শিকার করেছেন। যেখানে দ্বিতীয় ইনিংসেই ছিল ৬ উইকেট। হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলামও ধারাবাহিক ছিলেন। তবে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশ লড়াই করতে পারেনি।
ব্যাটিং ব্যর্থতা কাটিয়ে ওঠাই এখন বাংলাদেশের মূল চ্যালেঞ্জ। প্রথম টেস্টে মুমিনুল হক, জাকের আলী ও লিটন দাস কিছুটা লড়াই করলেও দলের বাকি ব্যাটসম্যানরা হতাশ করেছেন। দ্বিতীয় টেস্টে সাদমান ইসলাম ও মাহিদুল ইসলাম একাদশে আসতে পারেন, আর পেস আক্রমণে নাহিদ রানাকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে। উইন্ডিজ নামতে পারে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই।
এই মাঠে বাংলাদেশ ২০১৮ সালে সবশেষ টেস্টে হেরেছিল ১৬৬ রানে। সাবিনা পার্কে ৮৪৯ রানের রেকর্ড সংগ্রহ আছে ইংল্যান্ডের তবে সেটি ১৯৩০ সালে। ২০০০ সালের পর সর্বোচ্চ স্কোরটা উইন্ডিজের ৪ উইকেটে ৫৫৯ ডিক্লেয়ার সেটা বাংলাদেশের বিপক্ষেই (২০০৪)।
সাবিনা পার্ক ব্যাটিংয়ের জন্য উপযোগী হলেও বোলারদের জন্যও সুবিধা আছে। তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে ম্যাচে।
