আগরতলায় হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে সমাবেশ

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:১৮ পিএম

ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় ত্রিপুরা রাজ্যের উত্তর আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে সমাবেশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলন। সমাবেশ থেকে এ ঘটনায় ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে ব্যাখা চাওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর ষোলশহর রেলস্টেশনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, চট্টগ্রামের উদ্যোগে এ সমাবেশ হয়।

সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ ও সহ সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি বক্তব্য দেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে ভারত বাংলাদেশে তার আধিপত্যবাদ বিস্তারের চেষ্টা করে যাচ্ছে। পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারত তার আধিপত্যবাদের শেকড় অনেক গভীরে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়। কিন্তু গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা ভারতীয় আধিপত্যবাদ উপড়ে ফেলেছে। আমরা অতীতে সীমান্তে ফেলানী হত্যা, স্বর্ণা দাসকে হত্যা করার ঘটনা দেখেছি। ভারতবিরোধী কথা বলায় আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগ নৃশংসভাবে খুন করেছিল। ইসকনের সন্ত্রাসীরা আইনজীবী আলিফকে খুন করেছে।’

তারা আরও বলেন, এসব ঘটনা আওয়ামী লীগ ও ভারতের যৌথ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ঘটানো হয়েছে। তারা আবার নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করে যাচ্ছে। এর বিরুদ্ধে দেশবাসীর প্রতি আমাদের আহ্বান, আপনারা ঐক্যবদ্ধ হোন। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলে আমাদের মধ্যে যে সম্প্রীতি আছে, সেটা বজায় রাখতে হবে। আমরা সবাই মিলে এ ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবো।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও নির্বাহী কমিটির সদস্য রাসেল আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, আগরতলায় বাংলাদেশের উপ দূতাবাসে হামলার অর্থ আমাদের দেশের ওপর হামলা আমাদের সার্বভৌমত্তের ওপর হামলা। আমরা আগস্টের ৫ তারিখ যেভাবে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়েছি সেভাবে অন্য কোনো দল যদি ভারতের পদলেহন করে তবে তাদের পরিণতি একই হবে।

তিনি আরও বলেন, ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক হবে গিভ এন্ড টেকের। এর বাইরে তারা যা করছে সেসবের জন্য দাত ভাঙা জবাব দিবে ছাত্র-জনতা। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই যাতে বাংলাদেশের ভারতীয় দূতাবাসের হাইকমিশনারকে এ ব্যাপারে তলব করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত