কূটনীতিকদের অপপ্রচারের প্রমাণ দেখাল বাংলাদেশ

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৭:১৫ এএম

আমরা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। অন্তর্বর্তী সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় কূটনৈতিকদের ব্রিফিংয়ের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি, চিন্ময় কৃষ্ণ দাস গ্রেপ্তার, ইসকনসহ সাম্প্রতিক ঘটনার বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিফিং করে সরকার। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ইসকনসহ সংখ্যালঘু ইস্যুতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে নানা ধরনের খবর ছাপা হচ্ছে। যার অনেকগুলোই অসত্য। ব্রিফিংয়ে কূটনৈতিকদের এসব বিষয়ে দালিলিক প্রমাণ হাজির করে পররাষ্ট্র দপ্তর।

এদিকে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে ভাঙচুর ও জাতীয় পতাকা নামিয়ে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ওই ঘটনার সময়কার কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নামিয়ে ফেলার পর তাতে আগুনও ধরিয়ে দেয়। তবে ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক’ বলে বর্ণনা করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে যোগ দিয়ে বাংলাদেশে শান্তিসেনা (পিস কিপিং ফোর্স) পাঠানোর জন্য কেন্দ্রকে জাতিসংঘের সঙ্গে কথা বলার আর্জি জানান। মমতার এ বক্তব্যের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, ‘মমতা ব্যানার্জির বক্তব্যকে মমতা ব্যানার্জির ধরনের হিসেবে দেখতে চাই। মমতা ব্যানার্জি কেন এমন বক্তব্য দিলেন, আমরা জানি না। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, তার রাজনীতির জন্য বিষয়টি ঠিক হয়নি। পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে আমরা স্বাভাবিক সম্পর্ক রাখতে চাই।’

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার ব্রিফিং : কয়েক দিনে বাংলাদেশ নিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন ফোরামে সরকারের প্রতিনিধিরা যা বলেছেন, তারই সারাংশ তুলে ধরা হয় ব্রিফিংয়ে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ইসকনসহ সংখ্যালঘু ইস্যুতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে নানা ধরনের খবর ছাপা হচ্ছে। যার অনেকগুলোই অসত্য বলে দাবি করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিদের অনেকেই গত কয়েক দিনে বক্তব্য দিয়েছেন। ব্রিফিংয়ে কূটনৈতিকদের দালিলিক প্রমাণ হাজির করে পররাষ্ট্র্র মন্ত্রণালয়।

ব্রিফিং শেষে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের জানিয়েছি, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে ব্যাপক প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে। গণমাধ্যমের একটি অংশ, বিশেষ করে ভারতের গণমাধ্যম, এই প্রচারে জড়িত। আমরা বলেছি, আমাদের সমাজ বরাবরই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে এসেছে। আমরা বলছি না যে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। কিন্তু এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং সব সরকারের আমলেই কমবেশি ঘটে থাকে।’

বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রসঙ্গে কূটনীতিকদের কি জানিয়েছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘চিন্ময় ব্রহ্মাচারীর বিষয়টি ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেছি। কী পরিস্থিতিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালত তাকে জামিন না দেওয়ায় তারা যে বিশৃঙ্খলা করেছে, সেগুলো বলেছি। তাদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে বলেই তারা প্রতিবাদ করতে পেরেছে। আমাদের যে অবস্থান, সেটি তাদের কাছে পৌঁছে দিতে পেরেছি। যেটা অবশ্যই তারা তাদের দেশে জানাবে।’

কূটনীতিক ব্রিফিংয়ে সংখ্যালঘু পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ব্রিফ করেছি, যাতে ভুল ধারণা সৃষ্টি না হয়। কারণ ভুল ধারণা সৃষ্টি করার মতো পরিবেশ আছে। বিশেষ করে মিডিয়ার একাংশ, কোন দেশের সেটা বলছি না তারা যতটুকু পারা যায় খারাপ পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করেছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি বলেছি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের সমাজের অংশ এবং সরকার এটি বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। কোনো মানুষ ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক পরিচয়ের কারণে নিগৃহীত হবেন না এবং এটি আমরা নিশ্চিত করব।’

বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে একটি বিশেষ গোষ্ঠী বৈশ্বিক প্রচার চালাচ্ছে উল্লেখ করে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে তারা সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। আমরা মেনে নিচ্ছি, তাদের এ ক্ষেত্রে শক্তি আমাদের চেয়ে বেশি। তবে আমরা সবাইকে বিষয়টি স্পষ্ট করার চেষ্টা করছি।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রির নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ-ভারত ফরেন অফিস কনসালটেশনের (এফওসি)-পরবর্তী পর্বে যোগ দিতে চলতি মাসের মাঝামাঝি ঢাকা সফর করার কথা রয়েছে। ভারতের সঙ্গে দিন দিন সম্পর্কের টানাপড়েনকে কেন্দ্র করে এফওসি হওয়া নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা যাচ্ছে। এফওসি হওয়ার প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘এফওসি হওয়ার কথা। আমি মনে করি হবে। এখন দুপক্ষ একসঙ্গে হতে হবে।’

সম্পর্কের যে টানাপড়েন চলছে, সামনের দিনগুলোয় দিল্লিকে ঢাকা কীভাবে সামলাবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পারস্পরিক স্বার্থ ঠিক রেখে আমরা ভারতের সঙ্গে একটা স্বাভাবিক, ভালো ও সুসম্পর্ক চাই।’

ভারতের আন্তরিকতার প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘আন্তরিকতা তো পরিমাপ করা খুব কঠিন কাজ। এটা গণমাধ্যমকে মাপতে হবে। এখানে অন্তরের চেয়ে স্বার্থ গুরুত্বপূর্ণ উভয়ের জন্য। আমি মনে করি, ভারত-বাংলাদেশ উভয়ে সম্পর্ক এগিয়ে নেবে নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী।’ তিনি বলেন, ‘ভারতীয় ভিসা বন্ধ। যে কারণে অনেকে চিকিৎসা নিতে ভারত যেতে পারছে না। আবার কলকাতার ব্যবসায়ীদের অবস্থা খারাপ, এটা ভারতের স্বার্থ কি না তাদের দেখতে হবে। ভারতের স্বার্থ তো আমি বুঝতে পারব না।’

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর জানিয়ে উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা বার্তা দিতে চাই, বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক কোনো অপতৎপরতা বরদাশত করবে না। আমরা হিন্দু-মুসলিম কোনো ভেদ করতে চাই না। কোনো বিশৃঙ্খলা দেখা গেলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’

বিধানসভায় মমতা : বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আরও একবার দল এবং সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তা-ই নয়, গতকাল দুপুরে বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে যোগ দিয়ে তিনি বাংলাদেশে শান্তিসেনা (পিস কিপিং ফোর্স) পাঠানোর জন্য কেন্দ্রকে জাতিসংঘের সঙ্গে কথা বলার আর্জি জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রস্তাব, কেন্দ্র জাতিসংঘের কাছে বাংলাদেশে শান্তিসেনা পাঠানোর আর্জি জানাক।’

একই সঙ্গে বাংলাদেশ নিয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কিংবা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের বিবৃতি দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নিয়ে সংসদে বিবৃতি দিন প্রধানমন্ত্রী। যদি তার কোনো অসুবিধা থাকে, তবে বিদেশমন্ত্রী বিবৃতি দিন। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার রাজ্য সরকারের নেই। তাই তারা কেন্দ্রের পরামর্শ মেনে চলবেন।’

বাংলাদেশে ভারতীয়রা আক্রান্ত হলে তার সরকার তা সহ্য করবে না বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘যদি বাংলাদেশে ভারতীয়রা আক্রান্ত হন, তবে আমরা তা সহ্য করব না। আমরা তাদের সেখান থেকে ফিরিয়ে আনতে পারি। এ প্রসঙ্গেই তার সংযোজন, আমাদের পরিবার, সম্পত্তি এবং প্রিয় মানুষরা বাংলাদেশে আছেন। ভারত সরকার এ বিষয়ে (বাংলাদেশ) যে অবস্থান নেবে, আমরা তা গ্রহণ করব। কিন্তু বিশে^র যেকোনো প্রান্তে ধর্মীয় কারণে কেউ অত্যাচারিত হলে আমরা তার নিন্দা জানাই। আমরা এ বিষয়ে ভারত সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানাচ্ছি।’

বাংলাদেশ নিয়ে কেন্দ্র চুপ করে রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি ১০ দিন ধরে দেখছি কেন্দ্রীয় সরকার চুপ করে রয়েছে। অথচ তাদের দল বলছে সব আটকে দেবে। কিন্তু এ বিষয়ে আমাদের কোনো এখতিয়ার নেই।’ মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় জানান, ওয়াকফ বিল নিয়ে বিধানসভায় আলোচনার পর যে লিখিত প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে যাবে, তার সঙ্গে থাকবে তার শান্তিসেনা-সংক্রান্ত প্রস্তাবও।

এর আগে গত বৃহস্পতিবারও বিধানসভার অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে মমতা জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ নিয়ে দেশের সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, তিনি তার সঙ্গে আছেন।

মমতার বক্তব্য প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা : বাংলাদেশ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যকে ‘তার ধরনের একটি বক্তব্য’ হিসেবে দেখতে চান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘মমতা ব্যানার্জির বক্তব্যকে মমতা ব্যানার্জির ধরনের হিসেবে দেখতে চাই। মমতা ব্যানার্জি কেন এমন বক্তব্য দিলেন, আমরা জানি না। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, তার রাজনীতির জন্য বিষয়টি ঠিক হয়নি। পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে আমরা স্বাভাবিক সম্পর্ক রাখতে চাই।’

এ সময় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেপ্তার নিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তাকে গ্রেপ্তার এবং আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে বলা হয়েছে, তার অনুসারীরা বিক্ষোভ করতে পেরেছেন। কারণ, এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

এক প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের প্রতিবেদন একপেশে হয়েছে। প্রতিবেদন তৈরিতে সেখানে অবস্থানরত একটি বিশেষ গোষ্ঠীর মানুষ প্রভাব রেখেছে। যুক্তরাজ্যে আওয়ামীপন্থি সাংসদের সংখ্যাও বেশি। তারা প্রতিবেদনকে প্রভাবিত করেছে। তারা আমাদের দূতাবাসকে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি।’

সত্য ঘটনা প্রকাশ করুন, ভারতীয় মিডিয়া লজ্জিত হবে : পাশের দেশ ভারতের মিডিয়া বাংলাদেশ সম্পর্কে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম। গতকাল রংপুরের পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ভারতীয় মিডিয়ার অপপ্রচারের বিরুদ্ধে দেশের সাংবাদিকদের সত্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশে কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নেই। আমাদের প্রতিবেশী দেশের (ভারতের) মিডিয়া বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। আপনারাই (সাংবাদিকরা) এ মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সত্য তুলে ধরে এ প্রচার বন্ধ করতে পারেন। সত্য ঘটনা প্রকাশ করলেই তারা (ভারতীয় মিডিয়া) লজ্জিত হবে। বাংলাদেশের সাংবাদিকরা সব সময় সত্য তুলে ধরেন। আপনারা যদি এভাবে সত্য প্রকাশ করতে থাকেন, তবে অপপ্রচারকারীদের থামানো সম্ভব হবে।’

ইসকন নিষিদ্ধ করার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই। যদি কোনো পরিকল্পনা থাকে, তা পরে জানানো হবে। কাউকে অন্যায়ভাবে কোনো মামলায় জড়ানো হলে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত