বলিউডে ব্যর্থ, তেলেগুতে সুপারস্টার

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ১২:৩৮ এএম

বলিউডে অনেক তারকাই স্বপ্ন দেখেন দীলিপ কুমার, অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খানের মতো সুপারস্টার হবেন। কিন্তু সবাই সেই উচ্চতা ছুঁতে পারে না। এমনই একজন অভিনেতা চিরঞ্জীবী, যিনি বলিউডে ব্যর্থ হলেও তেলেগু সিনেমায় নিজেকে সুপারস্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। আজ তিনি ভারতের অন্যতম একজন ধনী অভিনেতা, যার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১৬৫০ কোটি টাকা।

চিরঞ্জীবী ১৯৯০ সালে বলিউডে অভিষেক করেন পুনাদিরাল্লু সিনেমার মাধ্যমে। সিনেমাটি বক্স অফিসে হিট হয়েছিল। কিন্তু এর পরবর্তী ছবি, যেমন আজ কা গুণ্ডা রাজ ও দ্য জেন্টলম্যান ব্যর্থ হয়। এই ব্যর্থতার পর তিনি বলিউড ছেড়ে তেলেগু সিনেমায় ফিরে যান।

চিরঞ্জীবীর তেলেগু ক্যারিয়ার শুরু হয় অ্যান্টি-হিরো চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত খাইদি সিনেমাটি তার ক্যারিয়ারে মোড় এনে দেয়। এরপর ১৯৮৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পাসিভাদি প্রণাম ১৯৮৮ সালে যমুডিকি মোগুদু এবং ১৯৯২ সালে ঘরানা মোগুদু-এর মতো ব্লকবাস্টার সিনেমাগুলো তাকে তেলেগু সিনেমার শীর্ষ তারকায় পরিণত করে। দ্য উইক ম্যাগাজিন তাকে ‘বিগার দ্যান বচ্চন’ উপাধি দেয়। সংবাদ ম্যাগাজিন দ্য উইক  তাকে ‘নতুন টাকার মেশিন’ বলে অভিহিত করে।

চিরঞ্জীবী ছিলেন প্রথম ভারতীয় অভিনেতা, যিনি একটি সিনেমার জন্য ১ কোটি টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন। বর্তমানে তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১৬৫০ কোটি টাকা, আর তার পরিবার ছেলে রাম চরণ এবং পুত্রবধূ উপাসনা মিলে এই সম্পত্তি ৪০০০ কোটিরও বেশি। ২০২২ সালে, তিনি ৫৩তম ভারতীয় আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলচ্চিত্র মহোৎসবে আইএফএফআই বর্ষসেরা ভারতীয় চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব পুরস্কারে ভূষিত হন।

চিরঞ্জীবী আগামীতে বিশ্বম্ভরা সিনেমায় অভিনয় করবেন, যা ২০২৫ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। চিরঞ্জীবীর গল্প শুধু একজন অভিনেতার সাফল্যের গল্প নয়, এটি হাল না ছাড়া দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ এক অভিনেতার জীবন কাহিনি।

অনলাইন অবলম্বনে

মুমতাহীনা মেনহাজ অনিভা

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত