রিয়াল মাদ্রিদের বুকে যেন এক নতুন সকাল দেখা দিল। সেভিয়ার বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়ে বছর শেষ করল লস ব্ল্যাঙ্কোস, তাদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে আবারো গর্জে উঠল জয়ের ধ্বনিতে। কিলিয়ান এমবাপ্পে, ফেদে ভালভার্দে, রদ্রিগো আর ব্রাহিম দিয়াজের জোড়া আক্রমণ মাদ্রিদ যেন নতুন করে সাজালো। তবে এই আনন্দের আড়ালে কোচ কার্লো আনচেলত্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কার মেঘ এখনও কাটেনি।
রিয়ালের শুরুটা যেমনই হোক না কেন, সেভিয়ার বিপক্ষে এই জয় অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেল। এই ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো তারা, এক ধাপ পেছনে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী আতলেতিকো মাদ্রিদের।
কিন্তু ২০২৪-২৫ মৌসুমের যাত্রা সহজ ছিল না। চোট সমস্যায় জর্জরিত আনচেলত্তির দল বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়েছে। যদিও তাদের ঝুলিতে রয়েছে উয়েফা সুপার কাপ ও আন্তঃমহাদেশীয় কাপের শিরোপা, তবে লিগের মঞ্চে তাদের পথচলা এতটা মসৃণ হয়নি
জল্পনা-কল্পনার কেন্দ্রে থাকা আনচেলত্তি সেভিয়া ম্যাচের পর গণমাধ্যমে কথা বললেন আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে। দলের প্রতি ক্লাবের আস্থার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, চ্যালেঞ্জের মুখেও ক্লাব কখনো তাকে নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেনি। তিনি বলেছেন, ‘আমি কখনো ঝুঁকি নিয়ে ভয় পাইনি, কারণ আমি জানি কোচের কাজ কেমন। যখন কিছু ঠিকঠাক হয় না, তখন দোষ আমার। ক্লাব আমাকে সব সময় ভরসা দিয়েছে এবং সাপোর্ট করেছে। এটা সেই সান্ত্বনা যা একজন কোচের প্রয়োজন।’
আনচেলত্তি আরও বলেন, ‘গুঞ্জনের সময়ও ক্লাব আমাকে কাজ চালিয়ে যেতে বলেছে এবং স্পষ্ট করেছে যে, পরিস্থিতি সামলে নিতে হবে।’
২০২৫ সালের শুরুটা আনচেলত্তি ও তার দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। তাদের সামনে রয়েছে লা লিগার শীর্ষস্থান দখলের লড়াই। মাদ্রিদের আক্রমণভাগের তারকারা সেভিয়ার বিপক্ষে যেভাবে খেলেছেন, তা ইঙ্গিত দেয়, লস ব্ল্যাঙ্কোস আবারও ছন্দে ফিরতে পারে।
তবে আনচেলত্তির জন্য এই জয় কি যথেষ্ট ছিল সমালোচকদের মুখ বন্ধ করার জন্য? রিয়ালের ইতিহাসে অনেক কোচই চাপে ভেঙে পড়েছেন, কিন্তু আনচেলত্তি তার শান্ত স্বভাব আর কৌশলী দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে অনেক ঝড় সামলেছেন।
গার্দিওলার সিটিতে আসছেন মেসি!
প্রথম শ্রেণির প্রথম সেঞ্চুরিয়ান জ্যোতি