চাঁদপুরে জাহাজে ৭ খুনের প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদঘাটন, বিচারসহ বিভিন্ন দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে অনির্দ্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন নৌযান শ্রমিকরা। দুপুরে মোবাইলে এটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন সভাপতি মো.শাহ আলম।
তিনি বলেন,বাগেরহাটের মূলঘর পূর্ব ইউনিয়নের জগদীশ মন্ডলের ছেলে আকাশ মন্ডল ওরফে ইরফান কর্তৃক সার বোঝাই পণ্যবাহী এমভি আল বাখেরা জাহাজের ৮ জন স্টাফকে ঠান্ড মাথায় যেভাবে কুপিয়েছেন এবং বিশাল একটি জাহাজ একাই চালিয়েছেন এতে মনে হয় এটা তার একার কাজ হতে পারে না। আমরা এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য এবং এর সাথে অন্যকারা ছিল সেটা সরকারের প্রশাসননের সঠিক তদন্ত দাবি করছি। এ ছাড়া আমরা আমাদের সারাদেশে ১০ হাজার ছোট পন্যবাহী নৌযান ও লক্ষাধিক শ্রমিকদের নিরাপত্তাও দাবি করছি। যারা ওই জাহাজে হতাহতের শিকার হয়েছেন সরকারের পক্ষ থেকে জন প্রতি ২০ লাখ টাকা করে ক্ষতি পূরণও দাবি করছি। তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্তএই কর্মবিরতিসহ পন্যবাহি নৌযান ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।
এ দিকে চাঁদপুরের গ্রেপ্তার হওয়া আকাশ মন্ডল ওরফে ইরফান নৌ পুলিশের দাবির প্রেক্ষিতে ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার পর নানা তথ্য বের করার চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে চাঁদপুর নৌ পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার ইমতিয়াজ আহমেদ জানান। তিনি বলেন, এক বছর আগে আকাশ মন্ডল মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেন। ৮ মাস আগে সে ওই জাহজে সুকানির চাকরি নেন খুনের শিকার জাহাজ মাস্টার গোলাম কিবরিয়ার মাধ্যমে।
জাহাজ মালিক মাহবুব মোরশেদ বলেন, আমরা ওই জাহাজে গোলাম কিবরিয়া ও ইঞ্জিন চালক সালাউদ্দিন মোল্লাকে চাকরি দেই। বাকিরা সবাই গোলাম কিবরিয়ার মাধ্যমে ওই জাহাজে চাকরি নেয়।
এ দিকে এই ঘটনার পর চাঁদপুর নৌ রুটে সব ধরনের নৌ নিরাপত্তার হীনতায় রয়েছেন বলে স্থানীয় সাধারণ চলাচলকারী লঞ্চযাত্রী ও নৌযান শ্রমিকরা দাবি করছেন।
এ বিষয়ে চাঁদপুর নৌ পুলিশ সুপার সেয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, এটা ব্যক্তিগত আক্রোশের ঘটনা ছিল। নদীতে কোনো ধরনের নৌযান নিরাপত্তাহীনতায় নেই। এ ছাড়া আমাদের নৌ পুলিশ ও কোস্টাগার্ড সব সময় সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডে শ্রম মন্ত্রণালয়ের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে ২ কমিটি
ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে বাংলাদেশি কিশোর নিহত
১৫ বছর পালিয়েও রক্ষা পেলেন না ট্রিপল মার্ডার মামলার আসামি
পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনতাই, ৬৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা