প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এইচ ই ইয়াও ওয়েন। আজ সোমবার সকালে রাষ্ট্রদূতসহ তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির কার্যালয়ে সাক্ষাতে মিলিত হন।
এ সময় প্রধান বিচারপতি চীনের রাষ্ট্রদূতকে বলেন, জুলাই-আগস্ট বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের বিচার বিভাগ দেশে মানবাধিকারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা প্রদানে বদ্ধ পরিকর রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, চীনের রাষ্ট্রদূত সম্প্রতি দেশের বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণের বিষয়ে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে প্রধান বিচারপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ ছাড়া বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী বিচার বিভাগ গঠনে চীন বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত মর্মে তিনি প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন।
বিশেষ করে তিনি দুই দেশের বিচার ব্যবস্থায় পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া সৃষ্টিতে উভয় দেশের বিচারকগণের সমন্বয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চীনের রাষ্ট্রদূত প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করেন, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসায় তার দেশ বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জমাদি সরবরাহ করেছে। এ ছাড়া কয়েক মাস আগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যে আকস্মিক বন্যার প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল তা মোকাবেলায় চীন বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদান করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধান বিচারপতি চীনের রাষ্ট্রদূতকে বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং উভয় দেশের বিচার বিভাগের পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রধান বিচারপতি উল্লেখ করেন, ছাত্র- জনতার স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণে সংঘটিত জুলাই-আগস্ট বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের বিচার বিভাগ দেশে মানবাধিকারের সর্বোচ্চ সুরক্ষা প্রদানে বদ্ধ পরিকর।
আ. লীগ নিষিদ্ধ না হলে নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই: সিইসি
প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসে বিয়ে করলেন ইউক্রেনের যুবক