হামাসের সঙ্গে জিম্মি বিনিময় ও যুদ্ধবিরতি চুক্তি চূড়ান্ত করতে কাতারের রাজধানী দোহায় আলোচনায় বসেছে ইসরায়েলের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। আলোচনায় উভয় পক্ষের মধ্যে কিছু মতানৈক্য থাকলেও সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে ‘আশাবাদ’-এর কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
এদিকে অগ্রগতির সুস্পষ্ট লক্ষণ দেখে রবিবার (১২ জানুয়ারি) দোহায় পৌঁছেছে মোসাদের পরিচালক ডেভিড বার্নিয়াসহ ইসরায়েলের আরও একটি প্রতিনিধি দল। এতে মোসাদ প্রধানের পাশাপাশি ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) জিম্মি ইউনিটের প্রধান নিটজান অ্যালন এবং ইসরায়েলের শিন বেট নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান রোনেন বারও রয়েছেন বলে জানায় সিএনএন।
সূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনায় মিশর-গাজা সীমান্তে থাকা ফিলাডেলফি করিডর, গাজায় আইডিএফের উপস্থিতির মতো বেশকিছু বিষয়ে এখনো মতবিরোধ রয়েছে।
ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে ফিলাডেলফি করিডোর বরাবর তার সেনা থাকার দাবি জানিয়ে আসছে, অন্যদিকে হামাস তাদের প্রত্যাহারের জন্য জোর দিচ্ছে। ওই সংকীর্ণ কিন্তু কৌশলগত জমি নিয়ে মতবিরোধ গত বছরের আগস্টে পূর্ববর্তী আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার মূল কারণ ছিল। গাজায় হামাস নেতৃত্ব এবং বিদেশে গোষ্ঠীটির নেতৃত্বের মধ্যেও ফাঁক রয়ে গেছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
ইসরায়েলি সরকারের অভ্যন্তরে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ স্পষ্টতই অনুভূত হচ্ছে বলে শনিবার সিএনএনকে স্বীকার করেছেন এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা।
বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন যুদ্ধবিরতি আলোচনা নিয়ে বদ্ধপরিকর। তবে কয়েক মাস ধরে প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আলোচনায় অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ২০ জানুয়ারি তার শপথগ্রহণের আগে জিম্মিদের মুক্তি না দিলে বড় ধরনের সমস্যা হবে। এসব চাপের মুখে নেতানিয়াহু আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ভারতে ৩১ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার
‘জমজমের’ বলে ট্যাপের পানি বিক্রি, আয় ৩০ কোটি!