ইন্টারনেট ব্যবহারে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশিদের খরচ প্রায় সাতগুণ বেশি। অন্যদিকে মোবাইল ফোন সেবায় সমপর্যায়ের বাজার ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কর বাংলাদেশে। এমন পরিস্থিতিতে মাত্র ছয় মাসের মাথায় মোবাইল ফোন সেবার ওপর ৮ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। এখন সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) ও সারচার্জ মিলিয়ে মোট করভার ৩৯ শতাংশের বেশি। পাশাপাশি বাড়তি করারোপ করা হয়েছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার ওপরও।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ধনীদের কাছ থেকে বাড়তি কর আদায় করতে না পেরে মোবাইল ফোন সেবার মতো পরোক্ষ খাত থেকে সহজেই কর আদায় করত বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। সাধারণ মানুষের ওপর বছর বছর বাড়ানো হয়েছে করের বোঝা। সেই খড়গ থেকে মুক্তি মেলেনি এখনো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই কর আরোপের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে প্রান্তিক মানুষ ও মোবাইল এবং ইন্টারনেটভিত্তিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। অপারেটরদের ওপর বাড়তি শুল্ক দিনশেষে সাধারণ মানুষের পকেট থেকেই আদায় করবে। এতে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহার কমে যাবে। ফলে পরোক্ষভাবে অপারেটররাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সবমিলে দেশে তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করবে।
সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে মোবাইলে ১০০ টাকা রিচার্জে সম্পূরক শুল্ক, ভ্যাট ও সারচার্জ দিতে হবে ২৯ টাকা ৮ পয়সা। এ ছাড়া রেভিনিউ শেয়ার ও অন্যান্য কর দিতে হবে ৬ টাকা ১০ পয়সা। আর পরোক্ষ কর দিতে হবে আরও ২০ টাকা ৪০ পয়সা। অর্থাৎ গ্রাহক ১০০ টাকা রিচার্জ করে কথা বললে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করলে কর বাবদ কাটা পড়বে ৫৬ টাকা ৩০ পয়সা। আগে এটি ছিল ৫৪ টাকার মতো। ১০০ টাকা রিচার্জ করে গ্রাহক মোবাইল ফোনে মাত্র ৪৩ টাকা ৭০ পয়সা ব্যবহার করতে পারবেন।
অন্যদিকে বাসা কিংবা অফিসে ব্যবহৃত ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবায় ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ফলে ৫০০ টাকা বিলের ওপর মোট করভার সাড়ে ৭৭ টাকা দাঁড়িয়েছে, আগে যা ছিল ২৫ টাকা। ইন্টারনেট সেবাদাতারা অনেক ক্ষেত্রে আগের ভ্যাট বাবদ ২৫ টাকা আদায় করতেন না। তারা বলছেন, যেহেতু ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপিত হয়েছে, সেহেতু এখন ভ্যাটসহ সম্পূরক শুল্ক আদায় করা ছাড়া উপায় থাকবে না। শুল্ক আরোপে এ খাত থেকে সরকার বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকা বাড়তি রাজস্ব পাবে।
এর আগে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে, অর্থাৎ গত জুনে মোবাইল ফোন সেবায় সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করেছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল ফোনে প্রথম ৩ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার পর প্রতি বছরই এই শুল্ক বাড়তে থাকে। এ ছাড়া প্রতিটি সিম বিক্রিতে ৩০০ টাকা করে কর নেয় সরকার, যা গত অর্থবছরে ছিল ২০০ টাকা।
মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরের ওপর করপোরেট ৪৫ শতাংশ। মানে হলো, কোম্পানিগুলো ১০০ টাকা মুনাফা করলে ৪৫ টাকা আয়কর নেয় সরকার। এই টাকাও অপারেটররা আদায় করে গ্রাহকদের কাছ থেকেই।
নিম্নমানের মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবায় উচ্চ ব্যয় : মোবাইল ফোন সেবা, ইন্টারনেটের গতি ও ব্যবহার, ডিজিটাল জীবনমান, প্রযুক্তির ব্যবহার, ই-গভর্নমেন্ট, সাইবার নিরাপত্তা, ফ্রিল্যান্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ তথ্যপ্রযুক্তি-সংক্রান্ত প্রায় সব বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান তালিকার তলানিতে। ইন্টারনেট ব্যবহার কমলে সূচকগুলোতে আরও অবনমন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের করনীতি নিয়ে একটি পর্যালোচনা প্রতিবেদন প্রকাশ করে মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈশ্বিক সংগঠন গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস অ্যাসোসিয়েশন (জিএসএমএ)। এতে বলা হয়, মোবাইল ফোন সেবা খাতে বাংলাদেশে ২০২১ সালে বিভিন্ন কর ও ফি হার ছিল ৫৫ শতাংশ, যা সাব সাহারা অঞ্চলে ৩৫ শতাংশ, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় ২৪ শতাংশ, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ২৪ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক গড় ২২ শতাংশ। সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেপাল ও ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের ওপর করপোরেট কর অনেক বেশি।
গত বছরের অক্টোবরে জিএসএমএ আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ‘দ্য স্টেট অব মোবাইল ইন্টারনেট কানেকটিভিটি ২০২৪’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের চারটি অঞ্চলের ১২টি নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের মধ্যে স্মার্টফোন মালিকানায় বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে ৯টি দেশ। এমনকি মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারেও বাংলাদেশ তাদের চেয়ে পিছিয়ে। বিগত সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের নামে বিপুল ব্যয় করলেও স্মার্টফোনের দাম মানুষের হাতের নাগালে আনতে পারেনি।
জিএসএমএ বলছে, স্মার্টফোন ব্যবহারের দিক দিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে মিসর, কেনিয়া, নাইজেরিয়া, সেনেগাল, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, গুয়াতেমালা ও মেক্সিকো এগিয়ে রয়েছে। ইথিওপিয়া ও উগান্ডা শুধু বাংলাদেশের পেছনে আছে। ইন্টারনেট ব্যবহারেও শুধু ইথিওপিয়া বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে। তবে উগান্ডার গ্রামে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাংলাদেশের চেয়ে কম, আবার শহরে বেশি।
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহারের বাধা হিসেবে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো মোবাইল ইন্টারনেটের ডেটার দাম অনেক বেশি।
এদিকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভিপিএন সেবাদানকারী প্ল্যাটফর্ম সার্ফ শার্ক প্রকাশিত গ্লোবাল ইন্টারনেট ভ্যালু ইনডেক্স (আইভিআই) শীর্ষক একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশিরা ইন্টারনেট ব্যবহারে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় প্রায় ৬ দশমিক ৯ গুণ বেশি অর্থ খরচ করছে।
সার্ফ শার্ক বলছে, বাংলাদেশের ইনডেক্স ০.০১০৫, যা বৈশ্বিক গড় ইনডেক্স থেকে প্রায় ৮৬ শতাংশ কম। এর অর্থ, বাংলাদেশিদের ইন্টারনেট সেবা পেতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে বিশ্বের মাত্র ২৪ শতাংশ দেশ বাংলাদেশের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করে।
দৈনন্দিন ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বাধাগ্রস্ত হবে তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতি : মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সেবায় কর বৃদ্ধির অর্থ হলো, ধনী-গরিব সবাইকে একই হারে কর দিতে হবে। বরং গ্রামের দরিদ্র মানুষের চেয়ে শহরের মানুষের ব্যয় তুলনামূলক কম। কারণ তারা স্মার্টফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে কথা বলেন। দরিদ্র মানুষরা মোবাইলে সরাসরি কল করে কথা বলায় তাদের ব্যয় আরও বাড়বে।
জিএসএমএর এক জরিপে বলা হয়, বাংলাদেশের গ্রামে মোবাইল ব্যবহারকারীদের ৭৪ শতাংশ ফিচার ফোন বা বাটন ফোন বলে পরিচিত ফোন ব্যবহার করেন।
দেশে এমনিতেই নিত্যপণ্য ও বিভিন্ন সেবার মান চড়া। মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের বেশি। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে কর বৃদ্ধির ফলে জনজীবন আরও অতিষ্ঠ হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, গত নভেম্বর মাস পর্যন্ত দেশে মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা ১৮ কোটি ৮৭ লাখ (একজনের একাধিক সিম থাকতে পারে), যা গত জুনের চেয়ে ৭৩ লাখ কম। অন্যদিকে জুনের চেয়ে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৯৩ লাখের বেশি কমে ১৩ কোটি ২৮ লাখে নেমেছে। এ ছাড়া ব্রডব্যান্ড সংযোগ রয়েছে কোটি ৩৪ লাখ। সেটিও আগের চেয়ে কমেছে।
ঠিক কী কারণে এই মোবাইল ফোন গ্রাহক কমেছে তার সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে কেউ বলছেন, দৈনন্দিন ব্যয় কাঁটছাট করার প্রবণতা থেকেই গ্রাহক কমেছে। আবার অনেকে মনে করেন, জুয়া, হুন্ডি ও বহুস্তর বিপণনের (এমএলএম) সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের অনেকে জড়িত ছিল। ওই অপরাধী চক্র পালিয়ে যাওয়ায় গ্রাহক কমে যেতে পারে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) গত জুনে আইসিটি ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (আইডিআই) প্রকাশ করে। এতে মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভিয়েতনাম ও ভুটানের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। ব্যক্তি ও পরিবারে ইন্টারনেট ব্যবহার, মাথাপিছু আয়ের তুলনায় ডেটা, ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল ফোন ব্যবহারেও বাংলাদেশ সবার তলানিতে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রস্তুতি সূচকে (এআইপিআই) বিশ্বের ১৭৪ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৩তম। তালিকায় ভারত, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, রুয়ান্ডা, ঘানাও বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে। ডিজিটাল জীবনমান সূচকে বিশ্বের ১২১ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে ৮২তম অবস্থানে।
অন্যদিকে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের কারণে দেশে অনেক উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রির পাশাপাশি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করছেন বহু মানুষ। মার্কিন সাময়িকী সিইও ওয়ার্ল্ড এপ্রিলে ফ্রিল্যান্স কাজের জন্য সেরা গন্তব্যের ৩০ দেশের তালিকা প্রকাশ করে। এতে বাংলাদেশের অবস্থান ২৯তম। কিন্তু বছর বছর কর বৃদ্ধির ফলে সেবা ব্যয় বাড়লে এই অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন এই খাতের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা।
খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। এর মধ্যে আরেক দফা খরচ বৃদ্ধি এ খাতে বিপর্যয় ডেকে আনবে। ফ্রিল্যান্সারদের খরচ বাড়বে। ফেসবুককেন্দ্রিক এফ কমার্স খাতের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও বিপাকে পড়বেন।
ক্ষুব্দ সাধারণ মানুষ: গতকাল রবিবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের এক মানববন্ধনে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সেবায় নতুন করে আরোপিত কর প্রত্যাহার করা না করলে এনবিআর ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম ও আইআইজির সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, ‘শতভাগ দেশীয় উদ্যোক্তার মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দেওয়া হয়। এই সেবা খাত ধ্বংস করার অপচেষ্টা আগেও করা হয়েছে এখন আবার নতুন করে ১০ শতাংশ এসডি ও কর যুক্ত করায় গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়বে।’
আইএসপিএবির সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, ছোট ছোট উদ্যোক্তা যেভাবে হুমকির মুখে পড়বে ঠিক একইভাবে গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝার চাপ পড়বে। ফোনে ইন্টারনেট সেবা বিমুখ হবে জনগণ, যা নতুন করে বৈষম্য তৈরি করবে।
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সাবেক পরিচালক খালিদ আবু নাসের বলেন, নতুন করে করের বোঝা জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলবে না, সরকারকে ১০ নম্বর সংকেতে ফেলবে। হঠকারী সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
কারও সঙ্গে আলোচনা না করে নতুন করে ইন্টারনেট সেবার ওপর কর আরোপ করা এক ধরনের স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ বলে মনে করেন প্রযুক্তিবিদ ও বেসিসের সাবেক সভাপতি ফাহিম মাশরুর। তিনি বলেন, নতুন করে কর বৃদ্ধি করলে টেলিযোগাযোগ ইন্টারনেট সেবা খাত হুমকির মুখে পড়বে। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি তো দূরে থাক, গ্রাহকরা এই সেবা গ্রহণ করতে পারবে না। এতে নতুন করে কর আদায় করার যে সিদ্ধান্ত, তা হোঁচট খাবে।
