মিরসরাই

বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষে নিহত ১

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:০০ পিএম

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় বিএনপি ও যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে মো. মুন্না (২২) নামে এক যুবদল কর্মী নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে মিরসরাই বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষ হয়।

এ ঘটনায় সাত যুবদল কর্মী আহত হয়েছেন। তারা হলেন আসিফ (২১), সজীব (২০), হাসান (২১), রাহাত (২৪), রাশেদ (২২) ও হৃদয় (২১) ও আরাফাত (২৩)।

নিহত মুন্না মিরসরাই পৌরসভার উত্তর  গোভানিয়া এলাকার আবদুল মান্নানের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিরসরাই পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব জাহিদ হোসেনের কিছু অনুসারী সোমবার রাত ১১টার দিকে স্টেডিয়ামে চলা বাণিজ্য মেলার গেটে শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ করছিলেন। এ সময় পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক কামরুল হাসানের ২০/২২জন অনুসারী ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে মুন্নাকে সামনে পেয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে কামরুল হাসানের অনুসারীরা। আহত মুন্নাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা সদরের সেবা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে সেখান  থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। যুবদল কর্মী মো. মুন্নার মৃত্যুও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিরসরাই পৌরসভা বিএনপির সদস্যসচিব জাহিদ  হোসেন।

চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান সরকার বলেন, সোমবার রাত ১১টার দিকে পৌর সদরে মারামারির ঘটনায় আহত আট যুবককে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। এর মধ্যে মো. মুন্নার অবস্থা ছিল গুরুতর। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার লোকজন মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে মুন্নার মৃত্যু হয়েছে। মূলত অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। 

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, ‘সোমবার রাত ১১টার দিকে মিরসরাই পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব জাহিদ হোসেন ও  পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক কামরুল হাসানের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরে এক পক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মুন্নার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত