সাইফ আলি খানের বাড়িতে ঘটে যাওয়া ঘটনা মুম্বাই শহরের নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলেছে। বুধবার দিবাগত রাতে এক ব্যক্তি অভিনেতার বাড়িতে ঢুকে পড়ে। শুধু তাই নয়, তাকে রীতিমত ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেছে।
সাইফ আলি খান কাণ্ডে একাধিক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে পুলিশের পক্ষ থেকে। এদিন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ব্যক্তি সাইফ আলি খান বান্দ্রার যে বাড়িতে থাকেন সেই বাড়ির যে ইমারজেন্সি ফায়ার এক্সিট আছে সেখান দিয়ে প্রবেশ করেছে। সেই দরজা নাকি খোলা ছিল এদিন। এই বিল্ডিংয়ের পিছনে থাকা সিঁড়ি দিয়েই নাকি তিনি সেই ফায়ার এক্সিটে পৌঁছেছিলেন।
তবে এও জানা গেছে যে, বাড়ির নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাড়ির পিছনের দিকে অনেক খামতি আছে। তবুও সিসিটিভি ফুটেজ থেকে সেই ব্যক্তির ছবি পেয়েছে পুলিশ। সেই ব্যক্তি যখন পালাচ্ছিল এই কাণ্ড ঘটিয়ে তখনই তাকে সিসিটিভিতে দেখা যায়।
এই বিষয়ে বলে রাখা ভালো, এই বান্দ্রার এই বাড়ির চারটি তলা জুড়ে থাকেন সাইফ এবং কারিনা। আর এটা কার বাড়ি না জেনেই নাকি সেই ব্যক্তি এখানে ঢুকে পড়েছিলেন। যদিও তাকে এখনও ধরা যায়নি।
তদন্তকারী এক সিনিয়র অফিসারের তরফে জানানো হয়েছে সাইফ আলি খানের বাড়ির এক পরিচারিকা এলিমা ফিলিপস ওরফে লিমা সেই মুহূর্তে বাড়িতে ছিলেন। তিনিই প্রথম অভিযুক্ত তথা আততায়ীকে দেখতে পান যখন সে ওই ফ্ল্যাটে ঢোকার চেষ্টা করছিল। তিনি তাকে থামানোর চেষ্টা করেন, এবং স্বাভাবিকভাবেই তার সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় সেই ব্যক্তির।
আর ঘটনাচক্রে তিনি হাতে আঘাত পান। তার চিৎকার, চেঁচামেচি শুনেই নাকি তখন সেখানে দৌড়ে আসেন সাইফ আলি খান। এরপরই সাইফের সঙ্গে সেই ব্যক্তির হাতাহাতি শুরু হয়। সেই ব্যক্তির হাতে ধারাল কিছু অস্ত্র ছিল। সেটা দিয়েই তিনি অভিনেতার উপর আক্রমণ চালান, এরপর রক্তাক্ত অভিনেতাকে মধ্যরাতে তড়িঘড়ি করে লীলাবতী হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তার বড় ছেলে ইব্রাহিম আলি খান অটোতে করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। অস্ত্রোপচারের পর এখন অভিনেতাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান চিকিৎসক।
সাইফকে কুপিয়ে পালাচ্ছেন যুবক, ফাঁস হলো ছবি