টিউলিপের দুর্নীতির ইস্যুতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তপ্ত ব্রিটেনের রাজনীতি। সমালোচনার মুখে গত মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন তিনি। তবে এ পদত্যাগ ঘিরে সমালোচনার মুখে পড়েছে টিউলিপের দল লেবার পার্টিও। চাপ বেড়েছে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপরও। স্টারমার ও লেবার পার্টির চাপের বোঝায় শাকের আঁটি চাপালেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের মালিক ইলন মাস্ক টিউলিপ ইস্যুতে ক্রিপ্টো বিনিয়োগকারী মারিও নওফালের একটি পোস্ট শেয়ার করেন। টিউলিপকে নিয়ে সমালোচনা করা ওই পোস্ট শেয়ার করে মাস্ক লেখেন, ‘যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির শিশু কল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী নিপিড়কদের রক্ষা করেন আর তাদের দুর্নীতি দমন মন্ত্রীও দুর্নীতিগ্রস্থ।’
টিউলিপ সিদ্দিক ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন লেবার মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। গত বছর তার দল ক্ষমতায় আসার পর থেকে তিনি দেশটির ইকোনমিক সেক্রেটারি টু দি ট্রেজারি অ্যান্ড সিটি মিনিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মূলত মন্ত্রী তার কাজ ছিল যুক্তরাজ্যের অর্থবাজারের ভেতরের দুর্নীতি সামাল দেওয়া। কিন্তু বাংলাদেশে এখন তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, যেখানে তিনি এবং পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার আত্মসাতে অভিযোগ রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের ইলেক্টোরাল ডেটার তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সালে উপহার হিসেবে পাওয়ার পর কিংস ক্রসের সেই ফ্ল্যাটটিতে কয়েক বছর ছিলেন টিউলিপ। এরপর তার পরিবারের সদস্যরা ছিলেন আরও বেশ কয়েক বছর। বর্তমানে ফ্ল্যাটটি ভাড়া দিয়েছেন টিউলিপ। সেখান থেকে বাৎসরিক ৯০ হাজার পাউন্ড (১ কোটি ৩৫ লাখ ৬৮ হাজার টাকা) অর্থ পান তিনি।
