সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে জয়ের পরও থিসারা পেরেরা জানিয়েছিলেন, ঢাকা ক্যাপিটালস এখনও সেরা চারে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। তবে সে লক্ষ্য পূরণে তাদের শুধু নিজেরা জিতলেই চলবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে অন্যদের দিকেও। চিটাগং কিংসের বিপক্ষে ৮ উইকেটের দারুণ জয়ে সেই স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল করল ঢাকা।
বুধবার মিরপুরে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৮ রান করে চিটাগং কিংস। ছোট লক্ষ্য তাড়ায় তানজিদ হাসান তামিমের ৯০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে ১৮.১ ওভারে ২ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে ঢাকা। এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে তারা।
জয়ের জন্য ১৪৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে ঢাকা। উদ্বোধনী জুটিতে লিটন দাস ও তানজিদ তামিম যোগ করেন ৭৫ রান। রানখরায় থাকা লিটন এ ম্যাচে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দেন। ২৫ রান করে আউট হলে ভাঙে জুটি।
তিন নম্বরে নামা মুনিম শাহরিয়ার ১৮ বলে ১২ রান করলেও তাতে প্রভাব পড়েনি। কারণ অপর প্রান্তে দৃঢ়তায় ছিলেন তানজিদ তামিম। ৫৪ বলে ৯ চার ও ৫ ছক্কায় ৯০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। ২৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পরও আক্রমণাত্মক থেকে শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে খেলে যান তরুণ এই বাঁহাতি ওপেনার।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪০ রানের জুটি গড়ে চিটাগং ভালো শুরু পায়। জুবাইদ আকবারি ১৯ বলে ২৩ রান করে আউট হলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। তবে নাঈম ইসলাম ও গ্রাহাম ক্লার্কের ৪৯ রানের পার্টনারশিপে দল আবারও সামলে ওঠে।
৪৪ রান করা নাঈম ফেরার পর চিটাগংয়ের ব্যাটিং ধসে পড়ে। মিডল অর্ডারের শামিম হোসেন ও হোসাইন তালাত সুবিধা করতে না পারায় দেড়শ রানের লক্ষ্য পার করাও কঠিন হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৮ রানে থামে চিটাগংয়ের ইনিংস।
চট্টগ্রামের বিপক্ষে জয় পেলেও সেরা চারে থাকতে হলে ঢাকাকে শেষ দুই ম্যাচে ফরচুন বরিশাল ও খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষেও জিততে হবে। পাশাপাশি অন্যান্য দলের ফলাফলের দিকেও রাখতে হবে নজর।
তবে তানজিদ তামিমের এই দুর্দান্ত ইনিংস ও দলের আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্সে ঢাকার সেরা চারে যাওয়ার আশা এখনো টিকে রয়েছে।
পাপন পরিচালিত বোর্ড ছিল উন্নতির পথে বড় বাধা: নিক পোথাস
চুক্তি স্বাক্ষরের আগে সিটির আইনি ঝুঁকি নিয়ে ভাবেননি হালান্ড