ব্রিটিশ কোচ পিটার জেমস বাটলারের অধীনে অনুশীলন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সাফজয়ী বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিকাংশ ফুটবলার। এরপর থেকেই বাফুফে কর্তাদের রোষানলে প্রতিবাদী মেয়েরা। নানাভাবে পেতে হচ্ছে হুমকি-ধমকি। নিষেধাজ্ঞার হুমকিও শুনতে হচ্ছে তাকে। তাই ত্যক্ত বিরক্ত হয়ে প্রায় ১৮ জন মেয়ে একযোগে অবসরের চিন্তা করতে শুরু করেছেন। বুধবার বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে কথা বলে এমনটা জানা গেছে।
মেয়েদের আপত্তিতে মঙ্গলবার বাটলারের সভা বানচাল হওয়ার পর থেকে ক্রমাগত মানসিক চাপের মুখে রাখা হয়েছে ক্যাম্পে থাকা ফুটবলারদের। অভিযোগ আছে, বাফুফের একজন সহ-সভাপতি এবং একজন নির্বাহী সদস্য ক্রমাগত তাদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া এমনকি নিষিদ্ধ করার কথাও বলা হয়েছে ১৮জন ফুটবলারকে। সে সব শুনে হতাশা জেঁকে বসেছে মেয়েদের ক্যাম্পে। বঞ্চনার শিকার হয়ে একযোগে অবসরে যাওয়ার কথাও হচ্ছে নিজেদের মধ্যে। এক ফুটবলার বলেন, 'আমাদের চাওয়া-পাওয়ার কোন মূল্য নেই বাফুফের কাছে। কোচকে নতুন করে দায়িত্ব দেওয়ার আগে আমাদের সঙ্গে বসার প্রয়োজন মনে করেনি বাফুফে। উল্টো আমাদের হুমকি-ধমকিও দেওয়া হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে একযোগে অবসর নেওয়া ছাড়া কোন বিকল্প দেখছি না। এমন একজনের অধীনে খেলা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।'
কেবল কোচের ইস্যু নয়, মেয়েদের সঙ্গে গেলো অক্টোবরের পর আর কেন্দ্রীয় চুক্তি করেনি বাফুফে। ফলে মিলেনি মাসিক বেতন। তাছাড়া গত আট ম্যাচ ধরে ম্যাচ ফির টাকাও পায়নি ফুটবলাররা। বাফুফে ঘোষিত দেড় কোটি টাকা বোনাস পাওয়ারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। সব মিলিয়ে কঠিন অবস্থানে যাওয়া ছাড়া গতিও নেই তাদের। সকল ইস্যু নিয়ে মেয়েরা চায় সরাসরি বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে বসতে। বাফুফে বস অবশ্য এখন রয়েছেন দেশের বাইরে। নারী কমিটির প্রধান মাহফুজা আক্তার অবশ্য আলোচনার ভিত্তিতে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টার কথা বলেছেন।
সাফজয়ী মেয়েদের বাটলার বয়কট
সান্তোসে আগে কত বেতন ছিল নেইমারের? বর্তমানেই বা কত?