ককরোচ পার্টির মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, উত্তাল ভারত

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৬, ০১:১২ পিএম

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) ঘোষিত ‘চলো সংসদ’ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। 

সোমবার (২০ জুলাই) পার্লামেন্টের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে কর্মসূচি শুরু হলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আজ, সোমবার সংসদ ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি।

এর আগে রবিবার দিল্লি পুলিশ পদযাত্রার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়।

দিল্লি পুলিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, আগাম অনুমতি ছাড়া যন্তর মন্তর এলাকা ছাড়া অন্য কোথাও কোনো ধরনের প্রতিবাদ, মিছিল বা সমাবেশ করা যাবে না। আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো হলেও বিক্ষোভকারীরা মিছিল বের করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

পুলিশ ইতিমধ্যে যন্তর মন্তর ও মধ্য দিল্লির কিছু এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে। নয়াদিল্লি জুড়ে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। এই প্রতিবাদ মিছিলে পা মেলাতে দেখা গেছে আজাদ সমাজ পার্টি-কাশীরামের সভাপতি ও সাংসদ চন্দ্রশেখর আজাদ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। পুলিশ গোটা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যেই বন্ধ রয়েছে দিল্লির পাঁচটি মেট্রো স্টেশন। জনপথ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, কেন্দ্রীয় সচিবালয় এবং সেবা তীর্থ স্টেশন নিরাপত্তাজনিত কারণে বন্ধ রেখেছে পুলিশ। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব স্টেশনে ট্রেন চলাচল ও যাত্রী প্রবেশ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ভারতের প্রধান বিচারপতির এক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় গত মে মাসে ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দীপকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) গঠন করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই দলটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে এবং বিরোধী রাজনৈতিক দল, শিল্পী ও সুশীল সমাজের একটি অংশের সমর্থন পায়।

এর আগে শনিবার অনশনরত জলবায়ু ও শিক্ষা আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুককে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে যন্তর মন্তর থেকে হাসপাতালে নেওয়ার ঘটনায়ও সোমবারের কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তেজনা বেড়ে যায়।

সূত্র: এনডিটিভি

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত