লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও ভুটান থেকে পাথর আমদানি বন্ধ রয়েছে। আমদানি মূল্য কমানোসহ কয়েকটি দাবিতে ভুটান থেকে পাথর আমদানি গত শনিবার থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বুড়িমারী স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশন ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। অন্যদিকে ভারতীয় রপ্তানিকারকরা নতুন করে দাম বাড়ানোর পরিকল্পনায় নিজেরাই পাথর রপ্তানি বন্ধ রেখেছে। এতে স্থলবন্দরের প্রায় সাত-আট হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ায় তাদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে আমদানি বন্ধ থাকায় প্রতিদিন সরকারের প্রায় ২ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।
বুড়িমারী স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, ভুটান থেকে বুড়িমারী স্থলবন্দরে প্রতিটন তোর্শা বোল্ডার ও সামসি স্টোন ১৬ ডলারে আমদানি করা হয়। অথচ একই ধরনের পাথর পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ১৪ ডলারে আমদানি হয়। এই দাম বৈষম্যের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে ভুটানের পাথর ভারত হয়ে বাংলাদেশে আসে। এতে গাড়ি পরিবর্তনের সুযোগে অবৈধ পণ্য প্রবেশের ঝুঁকি তৈরি হয় বলে অভিযোগ করেছেন আমদানিকারকরা। এ অবস্থায় ভুটান থেকে সরাসরি পাথর আমদানি এবং দাম ১৪ ডলারে নামিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে। এদিকে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের একাংশ কোনো ঘোষণা ছাড়াই গত সোমবার থেকে পাথর রপ্তানি বন্ধ রেখেছেন।
বুড়িমারী স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) এডি মেহেদী হাসান জানান, ‘কয়েক দিন থেকে পাথর আমদানি বন্ধ রেখেছে আমদানিকারকরা। এ কারণে রাজস্ব আদায়ও অনেকটাই কমেছে।’
