ড. মোশাররফ

দ্রুত নির্বাচন হলে সরকার সম্মানের সঙ্গে বিদায় নিতে পারবে

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:৫৩ পিএম

দ্রুত জনগণের ভোটের অধিকার ফিরেয়ে দিলে অন্তর্বর্তী সরকার সম্মানের সঙ্গে বিদায় নিতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেছেন, এই সরকারের প্রধান দায়িত্ব জনগণের অধিকার ফিরেয়ে দেওয়া। জনগণের সবচেয়ে বড় অধিকার হচ্ছে ভোটের অধিকার। তাই জনগণের প্রত্যাশা যত দ্রুত সম্ভব সংসদ নির্বাচন আয়োজন করে যত দ্রুত বিদায় নেওয়া। তাহলে এই সরকার সম্মানের সঙ্গে বিদায় নিতে পারবে। আবার জনগণ রক্ষা পাবে, মুক্তিও পাবে।

আজ সোমবার বিকালে মুন্সীগঞ্জ শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এই সরকারকে নিরপেক্ষ, নির্দলীয় ও সীমাবদ্ধ সময়ে নির্বাচন দিতে হবে। কোনো দিন কোনো নির্দলীয় সরকারের সময় দীর্ঘ হতে পারে না। এই সরকারের প্রধানকে স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকার উৎখাত করে ছাত্র-জনতা ক্ষমতায় বসিয়েছে। তাদের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। 

তিনি বলেন, এই দেশে প্রমাণ হয়েছে জনগণের প্রিয়দল জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। আর দ্বিতীয় দল হলো আওয়ামী লীগ। আর এই আওয়ামী লীগ সরকার একটি সরকার প্রতিষ্ঠিত করেছিল, তা হলো ফ্যাসিস্ট সরকার। এখন নাই কেন আওয়ামী লীগ। ওই দিন শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগকে হত্যা করেছে শেখ হাসিনা। এখন মাঠে আওয়ামী লীগ নাই। 

বিএনপির এ নেতা বলেন, কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি এই সরকার বা সরকার সমর্থিত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নানাভাবে ইলেকশনকে কেন্দ্র করে নানা রকমের ষড়যন্ত্র শুরু করে দিয়েছে। কেউ কেউ দাবি করছে আগে নির্বাচন হোক স্থানীয় সরকার। আর এ দেশের জনগণের দাবি হচ্ছে আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। স্থানীয় সরকারের কাজ কি তা সকলেই জানে। 

মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মহিউদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য রহিমা শিকদার, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহ, শহীদুল মৃধা, আব্দুল বাতেন শামীম, সদর উপজেলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান ফকির, শহর বিএনপির আহবায়ক একেএম ইরাদত মানু, সরকারি হরগঙ্গা কলেজের সাবেক ভিপি শাহীন মিয়া, জেলা যুবদলের আহবায়ক মজিবুর রহমান, সদস্য সচিব মু. মাসুদ রানা, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী সেলিনা আক্তার বীনা, জেলা ছাত্র দলের সভাপতি আবুল হাশেম প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত