কার্বোনেটেড বেভারেজ পণ্যে করভার কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম)। পাশাপাশি চিকিৎসার সরঞ্জামাদি ও আইটি পণ্যে ভ্যাট ছাড় চেয়েছে সংগঠনটি। গতকাল বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রাক-বাজেট আলোচনায় অ্যামচেমের পক্ষে বাজেট প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজাউর রহমান মাহমুদ।
তিনি বলেন, ‘ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র (পিএসআর) বাধ্যতামূলক না করে শুধু টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হোক। কার্বোনেটেড বেভারেজে সাপ্লিমেনটারি ডিউটি বা এসডি হ্রাস করা হোক। মেডিকেল ডিভাইস ও টেকনোলজিতে ভ্যাট হার কমানো হোক।’ এ সময় তিনি গত জানুয়ারিতে কার্বোনেটেড বেভারেজ পণ্যের ওপর করভার বাড়ানো হয়েছে বলে জানান।
তার এ বক্তব্যের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, কার্বোনেটেড বেভারেজ জাতীয় পণ্যে কর বাড়নোর জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চাপ আছে। এসডি কমাবে না এনবিআর। অন্য বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে। বড়দের যদি এত সুবিধা দেওয়া হয়, তাহলে ছোটরা মারা যাবে।’ এছাড়া এনবিআরের সদস্য (কাস্টমস নীতি ও আইসিটি) হোসেন আহমদ বলেন, এক গ্লাস বেভারেজে চিনি থাকে দশ চা চামচ। চিনি জাতীয় পণ্যে বিভিন্ন দেশে করহার বেশি থাকে।
