লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত মামুন বাঁচতে চান

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০২৫, ০৬:১৬ পিএম

মামুনুর রশীদ চাকরি করতেন শ্রীমঙ্গলের নভেম ইকো রিসোর্টের ম্যানেজার পদে। প্রকৃতি ঘেরা ছায়া সুশীতল শ্রীমঙ্গল ছেড়ে কখনোই শহরমুখী হতে চাননি। বাবা-মাকে হারিয়েছেন বেশ আগে। বাবা-মা হারানোর নিদারুণ কষ্ট ভুলে যেতে ছায়ার মতো চার সন্তান সর্বদাই তাকে এক স্বর্গের অনুভূতি দিয়ে এসেছে। সন্তানদের মানুষের মতো মানুষ করে তুলতে চান তিনি।

মামুনের সংসারে কোনো টানাপোড়েন ছিল না। চাকরি আর স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে খুনসুটি করে সময় কাটানোই ছিল মামুনের প্রতিদিনের রুটিন। আচমকা লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সবকিছুই এলোমেলো হয়ে গেছে।

দ্রুত লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করাতে না পারলে তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে না। সুঠাম দেহের অধিকারী মামুন লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কঙ্কালসারে পরিণত হয়েছেন। তার এ অবস্থা দেখে কষ্টে দিনানিপাত করছে তার স্ত্রী-সন্তানরা।

রাজধানীর দক্ষিণখানের বাসিন্দা মামুন। তার বাবার নাম মৃত আবুল খায়ের। বর্তমানে তাকে তিনটি ইমিউনো থেরাপি দিয়ে ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এর পর লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। তিনটি ইমিউনো থেরাপি দিতেই প্রায় ১০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।

ট্রান্সপ্লান্ট করতে প্রয়োজন আরো ৬০/৭০ লক্ষ টাকা। ইতিমধ্যে চিকিৎসার পেছনে ৪৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গেছে। বর্তমানে চিকিৎসার খরচ যোগাতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মামুন ও তার স্ত্রী-সন্তানরা।

মামুন বলেন, ‘২০২৪ সালের আগস্ট মাসের ২৮ তারিখ হঠাৎ আমার লিভার ক্যান্সার ধরা পড়ে। বাংলাদেশের বহু চিকিৎসকের সঙ্গে শরণাপন্ন হওয়ার পর তারা আমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার উপদেশ প্রদান করেন। গত বছর নভেম্বরে আমি ভারতে যাই। ব্যাঙ্গালোর এবং দিল্লি দুই জায়গাতেই দেখাই। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আমাকে বলেন- আমার লিভারের ওপর যে টিউমারটা আছে সেটা অনেক বড়। এই মুহূর্তে তা অপারেশন করা সম্ভব না।’

তিনি আরো বলেন, ‘গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমি আবারও লিভার ট্রান্সপ্লান্টের উদ্দেশে ভারতে যাই। তবে চিকিৎসক আমাকে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের তারিখ দিয়েও আমার জীবনের ঝুঁকি থাকায় আর অপারেশন করাতে পারেননি। এরপর আমি চেন্নাইয়ের ক্রমপেটে অবস্থিত ড. রেলা ইন্সটিটিউটে যাই। সেখানে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জন ড. রেলাও বলেন, এই মুহূর্তে অপারেশন সম্ভব না এবং আমাকে তিনটি ইমুনও থেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দেন। যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা। গত ৮ মাসে ভারতে যাওয়া-আসা এবং চিকিৎসা ৪৫ লাখ টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। এই মুহূর্তে আমি চিকিৎসা করাব তার কোনো ব্যবস্থা সামনে দেখছি না। তাই দেশবাসী সবার কাছে বিনীত সাহায্য প্রার্থনা করছি।’

মামুনকে যোগাযোগ ও সাহায্য পাঠানো নম্বর :
বিকাশ : 01915431443
ব্যাংক হিসাব :
Mamunur Rashid
City Bank
A/c-2302449550001
Sreemangal branch
Routing Number 225581720

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত