যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক পর্যালোচনা শুরু করেছে বাংলাদেশ। এই প্রক্রিয়ায় শুল্ক হার যৌক্তিক করার জন্য দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানিয়েছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দ্রুততম সময়ে শুল্কহার যৌক্তিক করার বিভিন্ন বিকল্প খুঁজে বের করবে।
আজ বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
শফিকুল আলম বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আমাদের সবচেয়ে বড় রফতানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমরা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য একযোগে কাজ করে আসছি। আমরা আশা করছি, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে চলমান আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুতে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক বাংলাদেশ পর্যালোচনা করছে এবং এনবিআর শিগগিরই শুল্ক হার যৌক্তিক করার জন্য বিভিন্ন বিকল্প অনুসন্ধান করবে, যা এই বিষয়টির সমাধানে অত্যন্ত জরুরি।’
এদিকে, গতকাল বুধবার ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ২টা) হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা অধিকাংশ পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ ন্যূনতম শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এছাড়া, কিছু নির্দিষ্ট দেশের ওপর উচ্চতর শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।
এই ঘোষণার পর, বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১৫ শতাংশ।
তবে তৈরি পোশাকে বাংলাদেশের অন্যতম রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। প্রতি বছর প্রায় ৮.৪ বিলিয়ন (৮৪০ কোটি) ডলার মূল্যের রফতানি করা হয়, যদিও গত বছর রফতানি ছিল ৭.৩৪ বিলিয়ন (৭৩৪ কোটি) ডলার। শিল্প সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, উচ্চ শুল্ক বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা ক্ষুণ্ন করতে পারে।
কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে কলেজছাত্র নিখোঁজ