বগুড়ার কাহালুতে মারপিটের শিকার হয়ে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে জাহিদুল ইসলাম (৪২) নামের এক ব্যক্তির আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠায় কাহালু থানার এএসআই বেলাল হোসেনকে প্রত্যাহার করে নিয়ে বগুড়ার পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় কাহালু থানার সিনিয়র এস আই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, কাহালু উপজেলার শেখাহার তেলিপাড়ার আহম্মদের পুত্র জাহিদুল একাধিক বিয়ে করেন। কিছুদিন আগে এক স্ত্রী স্বামী তালাক করে কালাই ইউপির সাবেক মেম্বার নাসির উদ্দিনকে বিয়ে করেন। ঈদের দিন সোমবার (৩১ মার্চ) দুপুরে জাহিদুল পিলকুঞ্জ ঝাঁঝারপাড়া নাসিরের বাড়িতে গিয়ে সাবেক স্ত্রীর সাথে তর্কবিতর্ক করলে নাসির এএসআই বেলাল হোসেনকে খবর দিয়ে তার বাড়িতে ডেকে আনেন।
অভিযোগ উঠেছে বেলাল হোসেন সেখানে যাওয়ার পর জাহিদুল মারপিটের শিকার হয়ে বাড়িতে এসে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার এই অবস্থা দেখে বাড়ির লোকজন তাকে প্রথমে দুপচাঁচিয়া হাসপাতালে নিলে পরিস্থিত বেগতিক দেখে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলে ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার বিকেলে জাহিদুলের লাশ নিজ বাড়িতে আনা হয়। পরের দিন বুধবার জাহিদুলের আত্মহত্যার সাথে এএসআই বেলালের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠায় তাকে প্রত্যাহার করে বগুড়া পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।
স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানিয়েছেন, জাহিদুলকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন এএসআই বেলাল হোসেনের সামনে মারপিট করেছে। এএসআই বেলাল হোসেন জাহিদুলকে হুমকি দিয়েছে বলেও জানান তারা।
এ ঘটনায় প্রত্যাহার হওয়া এএসআই বেলাল হোসেনের সাথে কথা বলার চেষ্ঠা করা হলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
কাহালু থানার কাহালু থানার সিনিয়র এসআই মাসুদ জানান, বগুড়া সদর থানার ম্যাসেজে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করেছে কাহালু থানা পুলিশ।
ঈদে কাকে মিস করলেন পরীমণি?
যুবককে তুলে নিয়ে ছাত্রলীগ আখ্যা দিয়ে রাতভর নির্যাতন