সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের নামে ব্যাংকে ২৩ হিসাবে ২ কোটি ৪২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ১৮টি এবং তার স্বামী তাওফিক নেওয়াজের ৪টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছে আদালত। দীপু মনির ব্যাংক হিসাবগুলোতে ৬ কোটি ১১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৫৬ টাকা এবং তাওফিক নেওয়াজের ব্যাংক হিসাবগুলোতে ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫৩৫ টাকা রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসানের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।
কামরুল ইসলামের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এসব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থের সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এসব অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর, বন্ধক বা বেহাত করার চেষ্টা চলছে বলে তদন্তকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব সম্পদ অবিলম্বে অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করা আবশ্যক। তাই, ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন। গত ৫ ফেব্র“য়ারি কামরুল ইসলামের ১৫টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ১৫ কোটি ১৮ লাখ ১৫ হাজার ৪৬৫ টাকা অবরুদ্ধের আদেশ দেয় একই আদালত। জুলাই-আগস্টে হত্যা মামলায় গত ১৮ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টর থেকে কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি কারাগারে আছেন।
সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির এবং তার স্বামী তাওফিক নেওয়াজের বিষয়ে আবেদনে বলা হয়, তৈমুর নেওয়াজ ও জাওয়াদুর রহিম ওয়াদুদের নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবগুলোতে বিপুল পরিমাণ অর্থের সন্দেহজনক লেনদেন করেছে ডা. দীপু মনি। তারা অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন বলে তদন্তকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা আবশ্যক। তাওফিক নেওয়াজের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদনে বলা হয়, তার নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবগুলোতে সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর, বন্ধক বা বেহাত করার চেষ্টা চলছে বলে তদন্তকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবিলম্বে ফ্রিজ করা আবশ্যক। গত ১৯ আগস্ট রাজধানীর বারিধারা থেকে দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হত্যা মামলায় তিনি কারাগারে আছেন।
