সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে খাস খতিয়ানের ১৯০ বিঘা জমি দখল নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন এবং শতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।
নিহত মো. মদিন মোল্লা (৫৫) উপজেলার রূপবাটি ইউনিয়নের বড় ধুনাইল গ্রামের মৃত ছকির মোল্লার পুত্র। নিহতের লাশ উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বড় ধুনাইল গ্রামের ১৯০ বিঘা খাস খতিয়ানের জমি নিয়ে এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গ্রামের হালিম গ্রুপ ও জাফর গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (১২ এপ্রিল) দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হলে খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয় গ্রুপকে শান্ত থাকার অনুরোধ করে।
আজ রবিবার সকালে আবারও জাফর গ্রুপ এবং হালিম গ্রুপ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে মৃত ছকির মোল্লার পুত্র মো. মদিন মোল্লা (৫৫) নিহত হন। এ সময় আব্দুর রাজ্জাক (৪৫), ইনজামুল হক (২৬), আলতাব (৫৭), বাবলু মোল্লা (৪৫) সহ আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের শাহজাদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে জাফর গ্রুপের মো. মদিন মোল্লার নিহত হওয়ার খবরে হালিম গ্রুপের লোকজন গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। এই সুযোগে জাফর গ্রুপের লোকজন বিভিন্ন বাড়িঘর ভাঙচুর করে লুটপাট করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। আবার উভয় গ্রুপই মৃত মদিন মোল্লাকে নিজেদের গ্রুপের বলে দাবি করে।
এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আছলাম আলী জানান, মূলত খাস খতিয়ানের জমি দখল এবং আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এলাকার হালিম এবং জাফর গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমে শনিবার দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়ালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রবিবার সকালে আবারও তারা সংঘর্ষে জড়ালে মদিন মোল্লা নামে একজন নিহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
দেশের সব মসজিদে একই সময়ে জুমার নামাজ আদায়ের নির্দেশনা
পহেলা বৈশাখ জাতির আত্মপরিচয়ে এক উজ্জ্বল উপাদান: তারেক রহমান