ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজের পার্কিং এলাকা খালি করে ফেলা হয়েছে। সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, আগে যেখানে বিভিন্ন ধরনের মার্কিন সামরিক বিমান অবস্থান করছিল, এখন সেই র্যাম্পগুলো সম্পূর্ণ ফাঁকা। সূত্র ফার্স নিউজ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে ইরান এ অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এর পরপরই আল উদেইদ বিমানঘাঁটির কার্যক্রমে পরিবর্তন আনে মার্কিন বাহিনী।
সর্বশেষ স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যায়, আগে যেখানে কেসি-১৩৫ , কেসি-৪৬ আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, সি-১৭ সামরিক পরিবহন বিমান এবং ই-৩ এডব্লিউএএস নজরদারি বিমান রাখা ছিল, সেই পার্কিং র্যাম্পগুলো এখন খালি।
বিশ্লেষকদের মতে, বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক সামরিক কৌশলে পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে। এতে ভবিষ্যৎ হামলার ঝুঁকি কিছুটা কমলেও সামরিক অভিযানের পরিচালনায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, বিমানগুলো দূরের ঘাঁটিতে সরিয়ে নেওয়ায় উড়োজাহাজের যাতায়াতের দূরত্ব বাড়বে। ফলে জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি, রক্ষণাবেক্ষণের ওপর অতিরিক্ত চাপ এবং আঞ্চলিক বিমান সহায়তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশেষ করে আকাশে জ্বালানি সরবরাহ (এয়ার-টু-এয়ার রিফুয়েলিং) কার্যক্রম সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হতে পারে। কারণ, ট্যাংকার বিমানগুলোকে এখন অপারেশন এলাকায় পৌঁছাতে আগের চেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যয় করতে হবে। এতে যুদ্ধবিমানগুলোকে আকাশে সরবরাহ করার জন্য তাদের হাতে তুলনামূলক কম জ্বালানি অবশিষ্ট থাকবে।