যশোরের মনিরামপুরে স্বরুপজান সাথী (৩৩) নামের এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী-সতীন পলাতক রয়েছেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ উপজেলার নেহালপুর সড়কের আফতাফ মুন্সির মোড়ের একটি চাতাল থেকে তার বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত সাথী উপজেলার খাটুয়াডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রশিদ মিন্টুর দ্বিতীয় স্ত্রী। স্থানীয়দের ধারণা, পারিবারিক কলোহের জেরে স্বামী-সতীন মিলে তাকে হত্যা করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আব্দুর রশিদ মিন্টুর আফতাব মুন্সির মোড়ে একটি ধানের চাতাল রয়েছে। সেখানে কাজ করতেন সাথী। পরে তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে মিন্টু তাকে বিয়ে করেন। মিন্টুর প্রথম স্ত্রী সুমা পারভীন এই বিয়ে মেনে নিতে পারেননি। ফলে তাদের মধ্যে পারিবারিক অশান্তি চলছিল। মিন্টুর চাতালের একটি ছোট ঘরে বসবাস করতেন দ্বিতীয় স্ত্রী সাথী। রবিবার (২৭ এপ্রিল) রাতে কে বা কারা তাকে জবাই করে হত্যা করে বিবস্ত্র অবস্থায় মরদেহ ফেলে রাখে। সকালে সতীনের মেয়ে ফাতেমা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দেয়। এ সময় আশপাশের লোকজন ছুটে এসে স্থানীয় মেম্বর রেজাউলকে জানায়। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
মনিরামপুর থানা ওসি নূর মোহাম্মদ গাজী বলেন, সোমবার সকালে গৃহবধূ সাথীর গলাকাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। দুপুরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠায়।
ওসি আরও জানান, ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী মিন্টু ও তার অপর স্ত্রী পলাতক রয়েছেন। তাদের আটকে অভিযান চলছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বুড়িমারী থেকে সরাসরি ট্রেন চালুর দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
শিক্ষকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে কুয়েট শিক্ষার্থীদের খোলা চিঠি