স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ জনবল তৈরির নেতৃত্ব দিতে হবে বিএমইউকে

আপডেট : ০১ মে ২০২৫, ০৭:৪৭ এএম

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএমইউ) দেশের স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ জনবল তৈরির নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান। তিনি বলেছেন, উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষাসহ স্বাস্থ্য খাতে সঠিক নীতি নির্ধারণে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে বিএমইউকে মূল ভূমিকা রাখতে হবে, যা কেবল গবেষণার মাধ্যমেই সম্ভব। গতকাল বুধবার ২৮তম বিএমইউ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘ইনোভেট-এডুকেট-এলিভেট ড্রিমস টু দ্যা রিয়েলিটি ও বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় : প্রত্যাশা বনাম অগ্রগতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ সহকারী এই আহ্বান জানান। এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘ইনোভেট-এডুকেট-এলিভেট ড্রিমস টু দ্যা রিয়েলিটি।

আলোচনা সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী আরও বলেন, গবেষণার জন্য শুধু গবেষণা নয়, গবেষণা হবে জনকল্যাণ ও উদ্ভাবনমূলক। নিত্যনতুন জ্ঞানের সৃষ্টি, ওষুধ আবিষ্কার, ভ্যাকসিন আবিষ্কারে অবদান রাখতে হবে।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শাহিনুল আলম বলেন, বিপ্লবোত্তর চেতনাকে ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়কে উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা ও উদ্ভাবনমূলক গবেষণায় অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করা হবে। সময়ে চাহিদা অনুযায়ী টেকনোলজি ও নার্সিং সেবার উন্নয়নেও যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ নলেজ জেনারেট করা। সেই লক্ষ্য পূরণে গবেষণাকে গুরুত্ব দিতে হবে। তবে গবেষণা হবে সহজ ও মানুষের কল্যাণধর্মী। গবেষণা হলো সত্যের সাক্ষ্য। গবেষণার মাধ্যমেই এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

এ বছর নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়। দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্ট শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও কর্মচারীরা তাদের আপ্যায়নের অর্থ  সাধারণ রোগী ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের জন্য উৎসর্গ করেন। এই অর্থ দিয়ে বিএমইউতে চিকিৎসাধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত রোগী এবং সাধারণ রোগীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়া ৫৬ জন শিক্ষক ও চিকিৎসককে গবেষণা অনুদান দেওয়া ও পূবালী ব্যাংকের সৌজন্যে পাওয়া দুটি নতুন স্টাফ বাস উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় দিবসের মূল থিম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ ও অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন  রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম। এসব কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, অফিস প্রধান, চিকিৎসক, রেসিডেন্ট শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীরা  উপস্থিত ছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত