বিমানের সক্ষমতা নিয়ে জাইকার প্রশ্ন-সন্দেহ!

আপডেট : ০৪ মে ২০২৫, ০৭:২০ এএম

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের কাজ একবার দ্রুতগতি তো আরেকবার কচ্ছপগতি। এরপরও টার্মিনাল ঘিরে স্বপ্ন বুনছে কর্তৃপক্ষ। নানা সমস্যা মাথায় নিয়েও চলছে দ্রুততম সময়ে উদ্বোধনের চেষ্টা। চলতি অক্টোবর বা নভেম্বর মাসেই যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। ইতিমধ্যে সরকারের হাইকমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছে।

এদিকে টার্মিনালের আলোচিত গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং নিয়ে নাটক হয়েছে বেশ। এর দায়িত্ব বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পাবে নাকি জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা পাবে তা নিয়ে হয়েছে প্রতিযোগিতাও। এতে বিমান জয়ী হলেও বিমানের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সন্দেহ পোষণ করেছে জাইকা। ইতিমধ্যে জাইকা বেবিচককে বিষয়টি অবহিত করে বলেছে, বিমান আন্তর্জাতিক মানের সেবা দিতে পারবে না। যদি দিতে পারে তাহলে সব ধরনের সহায়তা করবে জাইকা।

তবে জাইকার সন্দেহ উড়িয়ে দিয়ে বিমান কর্তৃপক্ষ বলছে, বিমানের সক্ষমতা আছে। আরও বাড়াতে সব চেষ্টা চলছে। জনবল বাড়ানোর পাশাপাশি চলতি বছরের মধ্যেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনা হবে। ইতিমধ্যে যন্ত্রপাতি ক্রয় ও কিছু লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগামী দুবছরের জন্য বিমান গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ের কাজ করবে।

বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া বলেন, এখন থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য বিমান যেসব ইক্যুইপমেন্ট বিদেশ থেকে আমদানি করছে, তাতে বিমান আন্তর্জাতিক মানের সেবা দিতে পারবে বলে আশা করছি। জাইকার কাছ থেকে যে অর্থ নেওয়া হয়েছে, তা পরিশোধ করতে পারব। চলতি বছরের মধ্যেই থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, শাহ আমানত ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং করে আসছে বেবিচক। সেবা নিয়ে যাত্রীদের নানা অভিযোগ রয়েছে বিমানের বিরুদ্ধে।

গত বছরের অক্টোবরে চালু হওয়ার কথা ছিল বহুল প্রত্যাশিত থার্ড টার্মিনাল। কিন্তু আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই বদলে যায় চিত্র।

এদিকে, টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার জন্য বেবিচক ৪০০০ জনবল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এ নিয়োগ পর্যায়ক্রমে হবে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। এক কর্মকর্তা  বলেন পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার জন্য প্রায় ৬ হাজার দক্ষ কর্মী প্রয়োজন। আমরা ৪ হাজার কর্মী নিয়োগ দেব। তবে জনবল নিয়োগ ও তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া একটি চ্যালেঞ্জও আছে।

টার্মিনাল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পাচ্ছে জাপান : বেবিচক সংশ্লিষ্টরা দেশ রূপান্তরকে জানায়, থার্ড টার্মিনালের মূল দায়িত্ব জাপানকে দেওয়া হচ্ছে। অপারেশনস অ্যান্ড মেইনটেন্যান্সের কাজ থাকবে জাপানের হাতে। যার মধ্যে থাকছে ফ্লাইট অপারেশন ও যাত্রী ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আর বেবিচকের হাতে থাকবে নিরাপত্তা, এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ আর কাস্টম ও ইমিগ্রেশনের দায়িত্ব।

থার্ড টার্মিনাল নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পেতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মরিয়া হয়ে উঠে। তারা নানা উপায়ে লবিং শুরু করে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস চেয়েছে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজটি ধরে রাখতে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ডানাটাও চেষ্টা চালিয়েছিল কাজ  পেতে। আওয়ামী লীগ সরকারের একটি অংশ চেয়েছিল জাপানকে কাজটি দিতে। আরেকটি অংশ চেয়েছিল বিমানকে দায়িত্ব দিতে। এ নিয়ে জাপান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বিমান সরকারের সঙ্গে দেনদরবার চলে। তবে ব্যর্থ হয় দুটি দেশ। গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পায় বিমান। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারও সিদ্ধান্ত নেয় বিমানকে কাজটি দিতে।

গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্বে বিমান : বিমান সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ সবকটি বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ইতিমধ্যে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার সরঞ্জামাদি আনা হয়েছে। আরও এক হাজার কোটি টাকার সরঞ্জাম কেনার পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি। ১৯৭২ সাল থেকে দেশের সবকটি বিমানবন্দরে এককভাবে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ করে আসছে বিমান। নিজেদের ফ্লাইটের পাশাপাশি ৩২টি ফ্লাইটের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের সেবা দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় এ সংস্থাটি। তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসসহ বেসরকারি এয়ারলাইনসগুলো নিজস্বভাবে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং করে আসছে।

২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হয় থার্ড টার্মিনাল নির্মাণের কাজ। সরকারের ৫ হাজার কোটি টাকা আর জাইকা বাকি টাকার জোগান দেয়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থার্ড টার্মিনালটি আংশিক উদ্বোধন করেন। তবে এটি যাত্রীদের ব্যবহার উপযোগী হতে আরও কিছু সময় লাগবে বলে তখন জানানো হয়।  বেবিচক মনে করছে, এ বছরের শেষেই যাত্রীরা টার্মিনালটি ব্যবহার করে বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে পারবেন।

আয়ের বড় অংশ আসে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং থেকে : এ প্রসঙ্গে বেবিচক ও বিমানের দুই কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিমানের রাজস্ব আয়ের বড় একটি অংশ আসে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং থেকে। গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এবং কার্গো পরিষেবার মাধ্যমে বিমান প্রতিবছর প্রায় সাতশ থেকে আটশ কোটি টাকা আয় করে থাকে। থার্ড টার্মিনালের দায়িত্ব পেলে ৪ হাজার কোটিতে গিয়ে দাঁড়াবে আয়ের পরিমাণ। তবে সংস্থাটির সেবার মান ভালো নয়। তারপরও বিমান সেটি ধরে রাখতে চাচ্ছে। সক্ষমতা থাকলেও বিদ্যমান টার্মিনালের অবকাঠামো দুর্বলতায় কাক্সিক্ষত সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। থার্ড টার্মিনাল চালু হলে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের পুরো সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারবে বলে মনে করছেন বিমান কর্মকর্তারা।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমরা সঠিকভাবেই গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং করছি। বেবিচক যে নিয়ম করেছে তা আবশ্যই মানা হবে। গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে বিমানের ৫০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিছু বিষয়ে অভিযোগ ছিল, তা বর্তমানে নেই। কর্মীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হওয়ার পর সেখানেও আমরা গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং যাতে করতে পারি সেই জন্য নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। জনবল ও যন্ত্রপাতি বাড়ানো হবে দ্রুত সময়ের মধ্যে। বিমানের সক্ষমতা দিনদিন বেড়েই চলেছে। 

কী আছে থার্ড টার্মিনালে : সংশ্লিষ্টরা দেশ রূপান্তরকে জানান,  টার্মিনালে থাকবে কেবিন এক্স-রে মেশিন ৪০টি, বোর্ডিং ব্রিজ ১২টি, কনভেয়ার বেল্ট ১৬টি, বডি স্ক্যানার ১১টি, টানেলসহ বহুতল বিশিষ্ট কারপার্কিং ৫৪ হাজার বর্গমিটার, নতুন ইমপোর্ট কার্গো কমপ্লেক্স এবং নতুন এক্সপোর্ট কার্গো কমপ্লেক্স ৬৩ হাজার বর্গমিটার, রেসকিউ ও ফায়ার ফাইটিং স্টেশন এবং ইক্যুইপমেন্ট ৪ হাজার বর্গমিটার, ভূমি উন্নয়ন, কানেকটিং টেক্সিওয়ে (উত্তর) ২৪ হাজার বর্গমিটার, কানেকটিং টেক্সিওয়ে (অন্যান্য) ৪২ হাজার ৫০০ বর্গমিটার, র‌্যাপিড এক্সিট টেক্সিওয়ে (উত্তর) ২২ হাজার বর্গমিটার, র‌্যাপিড এক্সিট টেক্সিওয়ে (দক্ষিণ) ১৯ হাজার ৫০০ বর্গমিটার, শোল্ডার ৯৬ হাজার ৫০০ বর্গমিটার, জিএসই রোড ৮৩ হাজার ৮০০ বর্গমিটার, সার্ভিস রোড ৩৩ হাজার বর্গমিটার, ড্রেনেজ ওয়ার্কস (বক্স কালভার্ট ও প্রোটেক্টিভ ওয়ার্কস), বাউন্ডারি ওয়াল, সিকিউরিটি গেট, গার্ড রুম ও ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ, ল্যান্ড সাইড, সার্ভিস রোডসহ এলিভেটেড রোড, ওয়াটার সাপ্লাই সিস্টেম, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, ইনটেক পাওয়ার প্ল্যান্ট ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম, কার্গো কমপ্লেক্সের জন্য সিকিউরিটি ও টার্মিনাল ইক্যুইপমেন্ট, এয়ারফিল্ড গ্রাউন্ড লাইটিং সিস্টেম, হাইড্রেন্ট ফুয়েল সিস্টেমসহ আনুষঙ্গিক কাজ। তা ছাড়া থাকছে অন্যতম আকর্ষণ ফানেল টানেল। ৫ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটারে ৩৭টি উড়োজাহাজ রাখার অ্যাপ্রোন ও ১ হাজার ২৩০টি গাড়ি রাখার সুবিধা, ৬৩ হাজার বর্গফুট জায়গায় আমদানি-রপ্তানি কার্গো কমপ্লেক্স, ১১৫টি চেক-ইন কাউন্টার সব মিলিয়ে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিমানবন্দরে যেসব সুযোগ-সুবিধা আছে তাই থাকবে এখানে।

কবে শুরু হয় প্রকল্পের কাজ : ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের অনুমোদন দেয় একনেক। টার্মিনাল নির্মাণে প্রথমে ব্যয় ধরা হয়েছিল  ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। পরে আরও বাড়ানো হয়। নির্মাণকাজে অর্থায়ন করছে জাইকা। ভবনটির নকশা করেছেন বিখ্যাত স্থপতি রোহানি বাহারিন। তিনি এনওসিডি-জেভি জয়েন্ট ভেঞ্চার পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের (সিঙ্গাপুর) স্থপতি। জাপানের শীর্ষ নির্মাতা কোম্পানি শিমুজি ও কোরিয়ার সেরা স্যামসাং নামের দুটো প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে অ্যাভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়াম (এডিসি) নামের প্রতিষ্ঠানটিই বর্তমানে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। দুই দেশের অন্তত চার শতাধিক দক্ষ জনবল সক্রিয় কাজে। করোনার তাণ্ডব উপেক্ষা করেই তারা দায়িত্ব পালন করছেন।

হাজার কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনার উদ্যোগ বিমানের : থার্ড টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থার জনসংযোগ বিভাগের এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিমানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং বহরকে সমৃদ্ধ করতে ও সক্ষমতা বাড়ানোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে অত্যাধুনিক বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কেনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৩টি ইক্যুইপমেন্ট জিএসই বহরে সংযোজিত হয়েছে। আরও ৩৪টি নতুন ইক্যুইপমেন্ট আগামী কয়েক মাসের মধ্যে যুক্ত হয়ে ফ্লিট সমৃদ্ধ করে আমাদের সক্ষমতা আরও বাড়াবে বলে আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, জাপানের তুলনায় বিমানের সক্ষমতা কম তা সত্য। যার কারণে জাইকা আপত্তি করছে। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি সর্বোচ্চ সক্ষমতা বাড়াতে। বিমানবন্দরে ৭০০  জনের মতো দক্ষ কর্মীর দল রয়েছে আমাদের। পাশাপাশি পরিপূরক হিসেবে আরও ৪০০ জনের মতো জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। তারা মূলত গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ে কাজ করবে।

নিয়োগ হবে ৪০০০ জনবল : থার্ড টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার জন্য অন্তত ৪ হাজার জনবল নিয়োগ দেবে বেবিচক। ইতিমধ্যে নিয়োগের প্রস্তুতি নিয়েছে সংস্থাটি। তবে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ দেওয়া হবে জানিয়েছেন সংস্থাটির এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, টার্মিনালের পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার জন্য আমরা ৪ হাজার কর্মী নিয়োগ দেব। প্রাথমিকভাবে হয়তো প্রশিক্ষিত লোকবলের সংকট হতে পারে। তারপরও আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি যাত্রীদের উন্নত সেবা দিতে। তিনি আরও বলেন, বিমানের সক্ষমতা নিয়ে কয়েক মাস আগে জাইকা সন্দেহ করছে বলে আমাদের জানিয়েছে। বিষয়টি আমরা বিমানকে অবহিত করেছি। তারাও সক্ষমতা আরও বাড়াতে কাজ করছে। আশা করি টার্মিনাল উদ্বোধনের আগেই পুরোপুরি সক্ষমতায় চলে যাবে বিমান। 

অক্টোবর-নভেম্বর উদ্বোধনের পরিকল্পনা : টার্মিনালের নির্মাণকাজ ৯৯.৫০ ভাগ শেষ হয়েছে। সামান্য কিছু কাজ বাকি আছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানান বেবিচকের এক কর্মকর্তা। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, আগামী অক্টোবর বা নভেম্বরে টার্মিনালটি পুরোপুরি যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারের হাই কমান্ডকে অবহিত করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত