৭ কার্যদিবসের মধ্যে শিক্ষক লাঞ্ছিতকারীদের শাস্তি দাবি

আপডেট : ০৬ মে ২০২৫, ০৭:৩১ এএম

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষকরা গতকাল সোমবারও ক্লাসে যাননি। শিক্ষক সমিতির ভাষ্য, আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে গত ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারির সহিংস ঘটনায় জড়িত ও শিক্ষকদের লাঞ্ছিতকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে অ্যাকাডেমিক ও সব প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকবেন তারা।

এদিকে, গতকাল সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সভা কক্ষে উদ্ভূত সংকট নিরসনে শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করেন নয়া উপাচার্য প্র্রফেসর ড. হযরত আলী।

এরআগে গতকাল বেলা ১১টা থেকে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা পর্যন্ত কুয়েট শিক্ষক সমিতির জরুরি সাধারণ সভা হয়। সভায় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. শাহিদুল ইসলামসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গত ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি  ফেব্রুয়ারির সহিংস ঘটনার নিন্দাসহ ৫ দফা দাবি জানান নেতৃবৃন্দ। দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে, গত ২৫ মার্চে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষা উপদেষ্টা ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রতিনিধি দল যে পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছে তাতে শিক্ষকরা উপেক্ষিত হয়েছেন, শিক্ষকরা এই ঘটনায় মর্মাহত এবং এর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন, আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে গত ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি ফেব্রুয়ারির সহিংস ঘটনায় জড়িত ও শিক্ষকদের লাঞ্ছিতকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে অ্যাকাডেমিক ও সব প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত

থাকবেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত কুয়েটের শিক্ষকদের নিয়ে সাইবার বোলিং, অবমাননা ও নির্যাতনের ঘটনা তদন্তপূর্বক দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত, শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক পর্যায়ে দাবিকৃত ৫ দফা, যার সঙ্গে শিক্ষকরা শুরু থেকেই একমত ছিল এবং যে দাবি পূরণ না হওয়ার অভিযোগে উপাচার্য ও উপউপাচার্যকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে  সেগুলো অতি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুয়েটবিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত সকল পেজ, সামাজিক মাধ্যম ও ব্যক্তিকে শনাক্ত করে অবিলম্বে সেগুলো বন্ধসহ আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত