স্বাস্থ্য খাত সংস্থার কমিশনের প্রতিবেদনকে দেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য ‘লিভিং ডকুমেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেছে সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ। এটি বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের কথা বলেছে সংগঠনটি।
সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখন সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত নিতে হবে। তারা যে যে বিষয়ে একমত হচ্ছে সেগুলো সহজে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। সরকারের সময়সীমার মধ্যেই অনেক কাজ শুরু করা যেতে পারে।
গতকাল রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য খাত সংস্থার কমিশনের প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে এই পরামর্শ দেয় সংগঠনটি। তারা এই প্রতিবেদন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারকে যেকোনো ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত বলেও জানায়।
সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. কাজী সাইফউদ্দীন বেননূর বলেন, প্রতিবেদনের কিছু সুপারিশ নিয়ে কেউ দ্বিমত পোষণ করবে না। কিছু সুপারিশ নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। তবে এই ডকুমেন্ট সবাইকে ধারণ করতে হবে। বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ঠিক করতে হবে কোথা থেকে শুরু করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ‘স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন প্রতিবেদন : আমাদের পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নের পথ নির্ধারণ’ শীর্ষক অবস্থানপত্র পাঠ করেন সংগঠনের সদস্য সচিব শামীম হায়দার তালুকদার। তিনি বলেন, সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সংগঠনের সদস্য ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ বলেন, সংস্কার প্রস্তাবে চিকিৎসকের কাছে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের যাওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। উদ্যোগটি সঠিক, আদর্শ পরিস্থিতিতে তা-ই হওয়া উচিত। কিন্তু বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে কতটা বাস্তবসম্মত, তা ভেবে দেখার অবকাশ আছে।
