হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় অজ্ঞাতনামা এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের চার সপ্তাহ পর ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। কালাম ওরফে খোকন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহত ব্যক্তির নাম মিলাদ মিয়া ওরফে বিলাল (২৮)। তিনি মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নের খিলগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ এপ্রিল মাধবপুর থানাধীন শিমুলঘর বাজার থেকে ছাতিয়াইন বাজারের মাঝামাঝি একপালপুর এলাকায় রাস্তার পাশে ঝোপের মধ্যে অজ্ঞাতনামা এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি ক্লুলেস হওয়ায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা রুজু করে এবং তদন্ত শুরু করে।
মামলার তদন্তে পুলিশ সুপার এ.এনএম সাজেদুর রহমানের সার্বিক নির্দেশনায় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুলাহ আল মামুনের তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজমুলের বিভিন্ন থানায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিহতের ছবি প্রচার করে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালানো হয়। এতে প্রাপ্ত তথ্য ও নিখোঁজ ডায়েরির ভিত্তিতে ভিকটিমকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাতে মাধবপুর থানাধীন নোয়াপাড়া বাজার এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কালাম ওরফে খোকনকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেপ্তার আসামি মো. আবুল কালাম ওরফে খোকনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি সহ আরও কয়েকজন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান জানান, ক্লুলেস এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করেছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং মামলার অন্যান্য দিকগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, তদন্তের স্বার্থে আপাতত বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
যাদের সমন্বয়ে দেশ ছাড়েন হামিদ!
দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করুন : ডা. জাহিদ