খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) একাডেমিক কার্যক্রম চালু, নতুন একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন ও আগে ঘোষিত পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে আবারও বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে তারা। এর আগে বিক্ষোভ মিছিল বের করে তারা। এতে কুয়েট ক্যাম্পাসে ফের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টার থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা।
অন্যদিকে শিক্ষকদের কর্মবিরতির গতকাল ছিল অষ্টম দিন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের ক্লাস বা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ৫ মে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভা শেষে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসে সংঘটিত অপ্রত্যাশিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত ও শিক্ষকদের লাঞ্ছনাকারীদের ৭ কর্মদিবসের মধ্যে চিহ্নিত করে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানানো হয়। শিক্ষকদের দেওয়া সেই সময়সীমা গতকাল শেষ হয়।
কুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক হজরত আলী দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, যত দ্রুত সম্ভব একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করতে চাই। এখন পর্যন্ত সবাই সহযোগিতা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত ক্লাস খোলার ব্যাপারে কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত আমার কাছে নেই। তবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা, কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সবার সঙ্গেই মিটিং করেছি। আমার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
