ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী শাসক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আজ রবিবার কমিশন থেকে একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়।
দুদকের একটি উচ্চপদস্থ সূত্র নিশ্চিত করেছে, সংস্থাটির উপপরিচালক মাসুদুর রহমানকে প্রধান করে গঠিত দলটি শেখ হাসিনার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য যাচাই এবং তার আয়কর সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখবে।
দুদক সূত্রে আরও জানা যায়, অনুসন্ধানকারী দলটি প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার সম্পদের প্রকৃত উৎস ও বৈধতা নির্ধারণ করবে।
এর আগে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্লট জালিয়াতি, বিদেশে অর্থ পাচার এবং বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতসহ একাধিক অভিযোগে অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুদক। এর মধ্যে পূর্বাচলে প্লট জালিয়াতির ঘটনায় একটি মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করার পর সংশ্লিষ্ট আদালত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
গত ১০ মার্চ পূর্বাচলে ৬০ কাঠা প্লট বরাদ্দের তথ্যপ্রমাণ পাওয়ায় শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানার পরিবারের সদস্য, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন এবং জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। পরে এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এছাড়া, গত ১৫ বছরে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরের উন্নয়ন প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগে দুদক আরও একটি অনুসন্ধান শুরু করে। এ প্রেক্ষিতে তলব করা হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এবং মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মোকাম্মেল হককে। তবে এ পর্যন্ত এই তলবের বিষয়ে তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম নিয়ে আপিল বিভাগে ফের শুনানি
হাইকোর্টের সামনে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান